বয়স নব্বই ছাড়িয়েছে। হাঁটাচলায়ও দেখা দিয়েছে সমস্যা। তবু ঢাক বাজিয়ে বাড়তি কিছু উপার্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির বাসিন্দা রাজকিশোর মাহাতো। পুজোর মরশুমে আরও বেশি বায়না পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন প্রবীণ এই ঢাকশিল্পী।
জলপাইগুড়ির দুই নম্বর ঘুমটি এলাকায় থাকেন রাজকিশোর। বয়সজনিত শারীরিক অসুবিধা নিয়েও কাঁধে ঢাক তুলে বাড়ি বাড়ি ঘুরে বাজান তিনি। সেখান থেকে পাওয়া সামান্য অর্থ তাঁর বাড়তি আয়ের অন্যতম ভরসা।
দুর্গাপূজাকে ঘিরে ঢাকের চাহিদা বাড়লে কাজের সুযোগও বাড়বে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে তাঁর। বেশি ডাক পেলে উপার্জন কিছুটা বাড়বে, এই আশাতেই পুজোর দিনগুলোর দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি।
উৎসবের আনন্দে ঢাকের বাদ্য যাঁরা যোগ করেন, তাঁদের নিজেদের জীবনেও থাকে নানা টানাপোড়েন। নবতিপর রাজকিশোরের প্রতিদিনের পরিশ্রম সেই জীবিকার সংগ্রামকেই সামনে নিয়ে আসে।
মতামত