জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী সুদেষ্ণা নন্দী আন্তর্জাতিক শিক্ষাঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য জর্জ মেসন ইউনিভার্সিটিতে (George Mason University) 'অ্যাপ্লাইড স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড বায়োস্ট্যাটিস্টিকস' বিষয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পর্যায়ে অধ্যয়নের জন্য তিনি অর্জন করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ। তাঁর এই গৌরবময় সাফল্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষার ধারায় এক নতুন অনুপ্রেরণার সৃষ্টি করেছে এবং সনাতনী প্রতিভার অদম্য পথচলাকে নতুন করে বিশ্বমঞ্চে সম্মানিত করেছে।
সুদেষ্ণা নন্দী চট্টগ্রাম কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৭–২০১৮ শিক্ষাবর্ষের অনার্স শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর অর্জিত সিজিপিএ ছিল ৩.২৭। প্রথাগত কোনো গবেষণা প্রকাশনা (পাবলিকেশন) না থাকা সত্ত্বেও নিজের অদম্য ইচ্ছা, বিভিন্ন একাডেমিক প্রজেক্ট ও থিসিস ভিত্তিক বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে তিনি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিজেকে যোগ্য হিসেবে প্রমাণ করেছেন। সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মানুবর্তিতা এবং নিজস্ব যোগ্যতাবলে সরাসরি আমেরিকার বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে এই স্কলারশিপ লাভ করা তাঁর অধ্যবসায় ও মেধার এক অনন্য বহির্প্রকাশ।
(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
বাংলাদেশের মতো দেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক স্কলারশিপের ক্ষেত্রে প্রায়শই নানাবিধ চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হন। সুদেষ্ণার এই ঐতিহাসিক অর্জন প্রমাণ করে যে, উচ্চশিক্ষায় সাফল্যের জন্য শুধু পাবলিকেশন বা উচ্চ সিজিপিআই মূল শর্ত নয়; বরং নিষ্ঠা, কাজের প্রতি একাগ্রতা, আত্মবিশ্বাস ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে যেকোনো দূরহ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। তাঁর এই সাফল্য হাজারো উদীয়মান শিক্ষার্থীকে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সাহস জোগাবে। চট্টগ্রাম কলেজ পরিবার এবং সনাতন সমাজ সুদেষ্ণা নন্দীর এই অর্জনে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাঁর আগামীর শিক্ষা ও কর্মজীবন উত্তরোত্তর সাফল্যময় ও সম্ভাবনাময় হয়ে উঠুক—এই শুভকামনা ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হচ্ছে।
মতামত