বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী ঐতিহ্যবাহী 'মঘিয়া জমিদার বাড়ি' ভেঙে ফেলার মহোৎসব শুরু হয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বাড়িটি সংরক্ষণের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই চললেও, কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগেই এই অমূল্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাড়িটির অন্তত মন্দির অংশটুকু রক্ষার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় ও সচেতন নাগরিক সমাজ।
ভৈরব ও বলেশ্বর নদের মধ্যবর্তী জনপদ কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত এই জমিদার বাড়িটি ওই অঞ্চলের আভিজাত্য ও ঐতিহ্যের প্রতীক। দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে থাকলেও এর স্থাপত্যশৈলী ও কারুকার্য আজও পথচারীদের মুগ্ধ করে। সম্প্রতি বাড়ির একটি বড় অংশ ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হলে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জমিদার বাড়ির এই প্রাঙ্গণে একটি প্রাচীন মন্দির রয়েছে যেখানে বংশপরম্পরায় পূজা-অর্চনা হয়ে আসছে। বাড়ির মূল অংশ ভেঙে ফেলা হলেও মন্দিরটি রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তাদের অভিযোগ, কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যক্তি মালিকানাধীন দোহাই দিয়ে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি ধ্বংস করা হচ্ছে।


এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মঘিয়ার সাধারণ মানুষ।
মতামত