ঘটনার জেরে তিনি ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে নিজের আচরণের জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তিনি।
সর্বমিত্র চাকমা তাঁর পোস্টে আরও লেখেন, শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা ও আস্থা নিয়ে তাঁকে তাঁদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন, সেই প্রত্যাশা পূরণে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন—এই উপলব্ধি থেকেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, “এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে আমার ব্যক্তিগত এবং এটি কারও প্রতি ক্ষোভ বা চাপের কারণে নয়।”
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেক শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিক এ ঘটনাকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে একজন ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত ও দৃষ্টান্তমূলক নয় বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।
সর্বমিত্র চাকমা তাঁর ক্ষমা প্রার্থনায় বলেন, তাঁর কর্মকাণ্ডে যদি কোনো শিক্ষার্থী বা সাধারণ মানুষ আহত হয়ে থাকেন, তবে তিনি তার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়—সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা নিয়ে শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের আচরণবিধি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ডাকসু সদস্যদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
মতামত