গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শ্রী হরিদাস চন্দ্র। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে তিনি এলাকায় প্রায় ৪ হাজার মুসলিম পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। স্থানীয়ভাবে তিনি পলাশবাড়ীর শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালী মন্দির-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে এলাকায় তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে।

নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত এক ভিডিও পোস্টে তিনি লেখেন, তার জীবনের সবকিছু সবার জন্য। রোজার মাসে মুসলিম ভাই-বোনেরা যেন সুন্দরভাবে খাবার গ্রহণ করতে পারেন, সেই চিন্তা থেকেই ৪ হাজার পরিবারের জন্য তার এই সামান্য প্রয়াস। তিনি স্পষ্ট করে জানান, তিনি হিন্দু-মুসলিম বৈষম্য বোঝেন না; তিনি মানুষ হিসেবে আরেক মানুষের ধর্মকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করতে বিশ্বাসী।

তিনি আরও বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতা নন এবং রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার প্রয়োজনও অনুভব করেন না। তবে পিছিয়ে পড়া সনাতনী সমাজের পাশে দাঁড়াতে তিনি প্রস্তুত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সকলের সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অপরিহার্য।
স্থানীয়রা বলছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পলাশবাড়ীতে তার এই মানবিক কার্যক্রম ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

মতামত