ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় একটি পারিবারিক রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে চুরির ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চোরকে গ্রেপ্তার করেছে দাগনভূঞা থানা পুলিশ। একই সঙ্গে মন্দির থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার, প্রণামির টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে অভিযান পরিচালনা করে চোরকে গ্রেপ্তার ও চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফয়জুল আজীম নোমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মন্দিরটি দাগনভূঞা উপজেলার মনপুরা কাবাব হাউজের বিপরীতে পরিমল মাস্টারের পাশের বাড়িতে অবস্থিত। সকালে পরিবারের সদস্যরা প্রতিদিনের মতো মন্দিরে পূজা দিতে গিয়ে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
একই এলাকায় স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক মন্দিরে চুরির ঘটনার কারণে স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চোরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষ দাগনভূঞা থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তারা জানান, এত দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার এবং চুরি হওয়া সামগ্রী উদ্ধার করায় তারা স্বস্তি অনুভব করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা দাগনভূঞা–সোনাগাজী আসনের সংসদ সদস্যকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, তার হস্তক্ষেপ এবং পুলিশ প্রশাসনের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই ঘটনাটি দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা গেছে।
এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেন, ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ ঘটানোর আগে অন্যরা বহুবার চিন্তা করবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও যেকোনো অপরাধ দমনে পুলিশ প্রশাসনের এমন দ্রুত ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলেও প্রত্যাশা করেন তারা।
পরিশেষে স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায় ও এলাকাবাসী দাগনভূঞা থানা পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত, আন্তরিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

মতামত