মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ চরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও অন্তত দুজন আহত হয়েছেন এবং পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত উজ্জ্বল কর্মকার উপজেলার কালাইয়া এলাকার অজিত কর্মকারের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চন্দ্রদ্বীপ চরের তরমুজের জমি লিজ ও টাকা লেনদেন নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে প্রথমে তরমুজ চাষি ফিরোজ গাজীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে ফিরোজ গাজীর নেতৃত্বে পাল্টা হামলা চালানো হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উজ্জ্বল কর্মকার ছাড়াও দাশপাড়া এলাকার শামীম হাওলাদার (৩৫) ও মিজান গাজী (৪০) আহত হন। তাঁরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতের ভাই তাপস কর্মকার অভিযোগ করে বলেন, "চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মিজানের অবহেলার কারণে আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। তিনি দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে হয়তো আমার ভাই বেঁচে যেত।"
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম রাজ্জাক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চন্দ্রদ্বীপ এলাকার জালাল গাজী ও ফিরোজ গাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। পুলিশের কোনো অবহেলা থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মতামত