উক্ত সৌজন্য সাক্ষাতে জাতীয় জীবনের সকল স্তরে এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সনাতন সম্প্রদায়ের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি তোলা হয়। প্রধানমন্ত্রী এই দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা সামনে এসেছে। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয় যে, সাবেক সচিব ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকারকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজন কান্তি সরকারের মতো একজন অভিজ্ঞ ও সুপরিচিত ব্যক্তিত্বকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি সনাতনী সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা এবং বিএনপির অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির প্রতিশ্রুতির এক বলিষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে এবং তারা বিশ্বাস করছেন যে বর্তমান সরকারের অধীনে তাদের ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে।
মতামত