টাঙ্গাইলে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণের পর নবজাতকসহ শ্বাস/রোধ করে হত্যার এক রোমহর্ষক ও নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। পাষণ্ডদের এই পাশবিকতা থেকে রেহাই পায়নি গর্ভের সন্তানটিও। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী কয়েক মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তথ্যসূত্রে ধারনা করা হচ্ছে কয়েকদিন আগে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে অভিযুক্তরা পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। নির্যাতনের এক পর্যায়ে ওই নারী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়ে অপরাধীরা তাকে শ্বাস/রোধ করে হত্যা করার চেষ্টা চালায়।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ধর্ষণের শিকার নারীর ওপর শারীরিক নির্যাতনের তীব্রতায় তার অনাগত সন্তানটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার উপক্রম হয় বা ভূমিষ্ঠ হয়। নিষ্ঠুরতার চরম সীমায় গিয়ে ঘাতকরা ওই নারী এবং সদ্যোজাত শিশু—উভয়কেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করে।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের গুনটিয়া গ্রামে লৌহজং নদীর তীর থেকে গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে এক নারী ও এক নবজাতকের মর/দেহ উদ্ধার করা হয় এবং সুরতহাল প্রতিবেদনের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
মতামত