সোমবার চেম্বার জজ আদালত এই আদেশ প্রদান করেন। এর ফলে আলোচিত এই মামলায় নতুন করে আইনি প্রক্রিয়া গতি পেয়েছে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
পরবর্তীতে ১৪ এপ্রিল সে জেলহাজত থেকে জামিনে মুক্ত হয়। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট তার জামিন বাতিল করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুনরায় তাকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহ ডিবির একটি দল গতকাল বিকেলে মাদারীপুর জেলার শিবচর থানা এলাকা থেকে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে। পরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত তাকে আবারও জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আসামি মাসুম খালাসী ঘটনার পর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করলেও আদালতে জামিন পাওয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের সনাতনী শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তারা দ্রুত বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলার গুরুত্ব ও আসামির তথ্য গোপনের বিষয়টি তুলে ধরেন।
পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষ বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করলে শুনানি শেষে চেম্বার জজ আদালত জামিন বাতিলের আদেশ দেন।
এ ঘটনায় সনাতনী ছাত্রসমাজের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা এবং আইনি তৎপরতা ইতিবাচকভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ নাগরিকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দও এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত বিচার সম্পন্নের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, দীপু দাস হত্যা মামলাটি শুরু থেকেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাষ্ট্রপক্ষের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
মতামত