স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, "Prince Antor" নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন একটি আপত্তিকর মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগের বিষয়ে প্রিন্স অন্তর দাবি করেছেন, তিনি এ ধরনের কোনো মন্তব্য করেননি এবং ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।
এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, যেই ফেসবুক আইডি থেকে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, সেটি ইতোমধ্যে নিষ্ক্রিয় (ডিঅ্যাকটিভ) করা হয়েছে। ফলে প্রকৃতপক্ষে কে বা কারা ওই মন্তব্য করেছে, তা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ভুয়া আইডি, হ্যাকিং বা অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে কাউকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই কোনো ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করার আগে প্রযুক্তিগত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে শনাক্ত করা জরুরি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর বক্তব্য, কোনো ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি অবমাননা কিংবা বিদ্বেষমূলক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়রা মনে করছেন, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা না হলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি, উত্তেজনা ও অপব্যবহারের সুযোগ থেকে যাবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতামত