সরকারি রূপরেখা অনুযায়ী, সার্বিক কাঠামোর মধ্যে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ ছাড়াও দেশের ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জাকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে বাস্তবায়িত পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে এবার তৃণমূল পর্যায়ে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নীতি অনুযায়ী, নির্বাচিত উপাসনালয়ের প্রধান ব্যক্তিগণ পাবেন মাসে পাঁচ হাজার টাকা সম্মানী। এছাড়া মন্দিরের সেবাইত, মুয়াজ্জিন, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজকগণ তিন হাজার টাকা এবং খাদেমগণ মাসিক দুই হাজার টাকা হারে ভাতা পাবেন। স্থানীয় অবকাঠামো অনুযায়ী ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকা থেকে নির্দিষ্ট অনুপাত বজায় রেখে এসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে, যা দেশের ধর্মীয় সনাতন ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করবে।
সনাতন ও সকল সম্প্রদায়ের সেবকদের স্বীকৃতি: আগস্ট থেকেই চালু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সর্বজনীন সম্মানী ভাতা
মতামত