চারজন দক্ষ প্রতিমা শিল্পী গত কয়েক মাস ধরে দিনরাত পরিশ্রম করে অত্যন্ত নিখুঁত কারুকাজের মাধ্যমে প্রতিটি দিয়াশলাই কাঠি ও সুতার বুননে দেবীর ভিন্ন ভিন্ন রূপ গড়ে তুলেছেন। প্রতিটি আঙ্গিককে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সাজানো হচ্ছে, যা দর্শকদের জন্য এক অনন্য আধ্যাত্মিক ও শৈল্পিক অভিজ্ঞতা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিল্পীদের পারিশ্রমিক ও উপকরণের ব্যয় মিলিয়ে আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে এই প্রতিমা তৈরিতে। এটি সাতক্ষীরা জেলার পাশাপাশি পুরো বাংলাদেশের সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি উদাহরণের সৃষ্টি করবে।
(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
এই ব্যতিক্রমী প্রতিমা দেখার জন্য শুধু স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরাই নন, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটক ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা আসবে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে। এই ধরনের অভিনব আয়োজনের মাধ্যমে তারা আশা করেন যে, সনাতনী সংস্কৃতি ও ধর্মের প্রতি বিশেষ বার্তা দেওয়া যাবে। দিয়াশলাই কাঠি ও সুতার সংমিশ্রণে দেবীর দশভুজা রূপে দুর্গার মূর্তি এক অনন্য শিল্পের নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এছাড়া দাহ্যতা নিয়ে সচেতনতার অংশ হিসেবে মন্দির কর্তৃপক্ষ বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করে আগুনের ঝুঁকি কমিয়ে এনেছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে এর কার্যকারিতাও যাচাই করা হয়েছে।
শারদীয় দুর্গোৎসব মানেই নতুনত্ব আর আনন্দের উৎসব। ব্রহ্মরাজপুরের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সেই আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে বিশ্বাস সনাতনী সম্প্রদায়ের। এই ধরনের সাহসী ও অভিনব উদ্যোগ বাঙালি সনাতনীদের সৃজনশীলতা ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের উজ্জ্বল স্বাক্ষর হয়ে থাকবে।
মতামত