বিষয়টি অনুধাবন করে এক মুহূর্তও দেরি না করে মানবিক টানে এগিয়ে যান কনস্টেবল শিল্পী ঢালী। তিনি শিশুটির অভিভাবক হিসেবে নিজের ওপর দায়িত্ব তুলে নেন এবং সহানুভূতির সাথে শিশুটিকে নিজের কোলে তুলে নেন। পুলিশের এমন অভয় ও মানবিক ব্যবহারে পরীক্ষার্থী মা আশ্বস্ত হন। নিশ্চিন্ত মনে তিনি বাচ্চাটিকে কনস্টেবল শিল্পী ঢালির কাছে রেখে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') দীর্ঘ সময় ধরে শিল্পী ঢালী মমতাময়ী মায়ের মতো শিশুটিকে আগলে রাখেন এবং যত্ন নেন। পরীক্ষা শেষে মা যখন হল থেকে বের হন, তখন সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় সন্তানকে ফিরে পেয়ে আবেগপ্লুত হয়ে পড়েন। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের এই সংবেদনশীলতা ও নিঃস্বার্থ সহায়তার জন্য ওই পরীক্ষার্থী পুলিশের মানবিক উদ্যোগের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পুলিশের এই কার্যক্রমে সর্বস্তরের মানবাধিকারে বিশ্বাসী সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের মাঝে প্রসন্নতার সৃষ্টি হয়েছে।
কোল খালি রেখে পরীক্ষা হলে মা, তিন মাসের শিশুর অভিভাবক হলেন পুলিশ কনস্টেবল শিল্পী ঢালী
দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে একটি নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার হলের বাইরে দায়িত্ব পালন করছিলেন পুলিশ কনস্টেবল শিল্পী ঢালী। তিনি দেখতে পান, পরীক্ষা দিতে আসা এক নারী অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও অসহায় অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছেন। সেই পরীক্ষার্থীর কোলে ছিল মাত্র তিন মাস বয়সী এক দুগ্ধপোষ্য শিশু এবং তাঁর দেখাশোনার জন্য সাথে কোনো অভিভাবক ছিলেন না। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল ওই মায়ের জন্য।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত