হিন্দুস নিউজ

সংবাদকর্মীর নিরাপত্তা ও অধিকার আজ কোথায়

নিখোঁজ সাংবাদিক বাদল দাস রহস্যজনকভাবে কারাগারে


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ

নিখোঁজ সাংবাদিক বাদল দাস রহস্যজনকভাবে কারাগারে
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার ফটোসাংবাদিক বাদল দাসের হঠাৎ নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তীতে পুলিশের গাঁজাসহ গ্রেপ্তারের দাবি প্রকাশের মধ্য দিয়ে পেশাগত সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। গত সোমবার থেকে নিখোঁজ থাকা এই সনাতনী সংবাদকর্মীর কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছিলেন তার পরিবার ও সহকর্মীরা। তাকে খুঁজে পাওয়ার আকুল আশায় রাজধানীর পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছিল। অথচ দীর্ঘ দুই দিন পর ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ দাবি করছে যে, মতিঝিল এলাকা থেকে মাদকসহ তাকে আটক করে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজের পর থেকে পুলিশের চরম অনীহা এবং পরবর্তীতে মাদক মামলার অভিযোগ সাজিয়ে তড়িঘড়ি করে কারাগারে প্রেরণের ঘটনা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা ও একজন সাংবাদিকের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিতকরণের বিষয়টি চরম প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

​স্বজন ও সহকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজের দিন বাদল দাসের ব্যবহৃত ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি তার কক্ষেই পড়ে ছিল। নিখোঁজ থাকা অবস্থায় একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তার বন্ধু সুজিত শেখ বাবুর কাছে ফোন করে দাবি করা হয় যে বাদল ডিবি হেফাজতে রয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে মতিঝিল থানা ও ডিবি কার্যালয়ে বহু যোগাযোগ করা সত্ত্বেও প্রশাসন বাদলকে আটকের তথ্যটি বারবার এড়িয়ে যায়। রহস্যজনকভাবে ডিবির পরিচয় দিয়ে ফোন করা নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়। দীর্ঘ নাটকীয়তা ও ধোঁয়াশা সৃষ্টির পর বুধবার রাতে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে বাদল দাসকে কারাগারে পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করে। পটুয়াখালী সদর উপজেলার নতুন বাজার এলাকার বাসু দেব দাসের ছেলে সাংবাদিক বাদল দাস দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। সনাতনী জনগোষ্ঠীর একজন স্বাধীন গণমাধ্যমকর্মীকে এভাবে হঠাৎ নিখোঁজ করে রেখে পরবর্তীতে বিতর্কিত অভিযোগে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় দেশের প্রগতিশীল সমাজ ও মানবাধিকার সচেতন মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এই ঘটনার আড়ালের প্রকৃত সত্য উন্মোচনের জোর দাবি জানাচ্ছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') একজন সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার যেকোনো গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের অন্যতম মূল ভিত্তি। একজন পেশাদার আলোকচিত্র সাংবাদিকের নিখোঁজ এবং তৎপরবর্তী এই রহস্যজনক গ্রেপ্তারের ঘটনা সাধারণ মানুষের আইন-শৃঙ্খলার ওপর আস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন করে। দেশের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি রক্ষা, সাংবাদিকদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান এবং একই সাথে সংখ্যালঘু ও সনাতনী সমাজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কোনো রূপ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপে জড়াবে না—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সর্বস্তরের নাগরিকেরা।

বিষয় : উদ্ধার সনাতনী পুলিশ আটক

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

হিন্দুস নিউজ

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


নিখোঁজ সাংবাদিক বাদল দাস রহস্যজনকভাবে কারাগারে

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার ফটোসাংবাদিক বাদল দাসের হঠাৎ নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তীতে পুলিশের গাঁজাসহ গ্রেপ্তারের দাবি প্রকাশের মধ্য দিয়ে পেশাগত সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। গত সোমবার থেকে নিখোঁজ থাকা এই সনাতনী সংবাদকর্মীর কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছিলেন তার পরিবার ও সহকর্মীরা। তাকে খুঁজে পাওয়ার আকুল আশায় রাজধানীর পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছিল। অথচ দীর্ঘ দুই দিন পর ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ দাবি করছে যে, মতিঝিল এলাকা থেকে মাদকসহ তাকে আটক করে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজের পর থেকে পুলিশের চরম অনীহা এবং পরবর্তীতে মাদক মামলার অভিযোগ সাজিয়ে তড়িঘড়ি করে কারাগারে প্রেরণের ঘটনা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা ও একজন সাংবাদিকের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিতকরণের বিষয়টি চরম প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

​স্বজন ও সহকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজের দিন বাদল দাসের ব্যবহৃত ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি তার কক্ষেই পড়ে ছিল। নিখোঁজ থাকা অবস্থায় একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তার বন্ধু সুজিত শেখ বাবুর কাছে ফোন করে দাবি করা হয় যে বাদল ডিবি হেফাজতে রয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে মতিঝিল থানা ও ডিবি কার্যালয়ে বহু যোগাযোগ করা সত্ত্বেও প্রশাসন বাদলকে আটকের তথ্যটি বারবার এড়িয়ে যায়। রহস্যজনকভাবে ডিবির পরিচয় দিয়ে ফোন করা নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়। দীর্ঘ নাটকীয়তা ও ধোঁয়াশা সৃষ্টির পর বুধবার রাতে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে বাদল দাসকে কারাগারে পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করে। পটুয়াখালী সদর উপজেলার নতুন বাজার এলাকার বাসু দেব দাসের ছেলে সাংবাদিক বাদল দাস দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। সনাতনী জনগোষ্ঠীর একজন স্বাধীন গণমাধ্যমকর্মীকে এভাবে হঠাৎ নিখোঁজ করে রেখে পরবর্তীতে বিতর্কিত অভিযোগে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় দেশের প্রগতিশীল সমাজ ও মানবাধিকার সচেতন মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এই ঘটনার আড়ালের প্রকৃত সত্য উন্মোচনের জোর দাবি জানাচ্ছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') একজন সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার যেকোনো গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের অন্যতম মূল ভিত্তি। একজন পেশাদার আলোকচিত্র সাংবাদিকের নিখোঁজ এবং তৎপরবর্তী এই রহস্যজনক গ্রেপ্তারের ঘটনা সাধারণ মানুষের আইন-শৃঙ্খলার ওপর আস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন করে। দেশের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি রক্ষা, সাংবাদিকদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান এবং একই সাথে সংখ্যালঘু ও সনাতনী সমাজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কোনো রূপ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপে জড়াবে না—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সর্বস্তরের নাগরিকেরা।


হিন্দুস নিউজ

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে
HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news
নিখোঁজ সাংবাদিক বাদল দাস রহস্যজনকভাবে কারাগারে
0:00 0:00
1.0x