হিন্দুস নিউজ
Topic Ads 1
রূপা নিখোঁজের ২৭ দিন: উদ্ধার না করে উল্টো 'অর্থ বাণিজ্য' ও চরিত্র হরণের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

রূপা নিখোঁজের ২৭ দিন: উদ্ধার না করে উল্টো 'অর্থ বাণিজ্য' ও চরিত্র হরণের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

নড়াইলে বোড়ামারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৫ বছর বয়সী সনাতনী স্কুলছাত্রী রূপা দাস নিখোঁজের ২৭ দিন পার হলেও তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, যা সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ও মানবাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর নড়াইল সদরের বোড়ামারা-তুলারামপুর সড়ক থেকে বোড়ামারা গ্রামের পল্লব দাসের নাবালিকা কন্যা রূপা দাস নিখোঁজ হয়। পরিবারের অভিযোগ, স্কুলে যাওয়ার পথে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে সহপাঠী মো. রবিউল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণ করে। নিখোঁজের পর পরিবার নড়াইল সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে পুলিশ তা না নিয়ে জোরপূর্বক অসত্য ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে একটি এজাহার (মামলা নং ১৭, তারিখ: ১৪-০৯-২০২৬) দায়ের করে, যা তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। পরিবারের দাবি, নড়াইল সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রধান আসামিদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীকে উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে পরিবারকে বিভ্রান্ত করেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ) এর মধ্যে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রূপার হারিয়ে যাওয়া স্কুলব্যাগ লাইব্রেরিতে রহস্যজনকভাবে উদ্ধার হলেও তাতে অন্য কারও লেখা নাম পাওয়া যায়, যা নিয়ে তদন্তে পুলিশের কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। উল্টো পুলিশের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী নাবালিকার চরিত্র হরণ এবং পরিবারের ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এসআরবি-৬, জেলা প্রশাসক এবং সর্বশেষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে লিখিত আবেদন জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত রূপা দাসের কোনো সন্ধান মেলেনি। দেশের একজন করদাতা নাগরিক হিসেবে সনাতনী পরিবারের প্রতি প্রশাসনের এই চরম অবহেলা ও আইনের অপপ্রয়োগ সার্বিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক স্পষ্ট দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সনাতনী যুবক কারাগারে

ঘিওরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ও ছবি পোস্ট করার অভিযোগে বাসুদেব রাজবংশী (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করার পর পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘিওর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং পরবর্তী সময়ে তাকে আদালতে সমর্পণ করা হয়। প্রাথমিক বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘিওর আমলি আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।​তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে প্রকাশিত কিছু পোস্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিষয়টিকে ঘিরে পরিস্থিতি যাতে বিষিয়ে না ওঠে এবং সামাজিকভাবে বিশৃঙ্খলা না তৈরি হয়, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এ ঘটনায় ঘিওর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে সার্বিক বিচারিক প্রক্রিয়া এবং অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা প্রমাণের বিষয়টি সম্পূর্ণ আদালতের একতিয়ারাধীন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এলাকার সার্বিক শান্তি ও সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য সকলকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সনাতনী যুবক কারাগারে

প্রেমিকের ধর্ষণে প্রেমিকার মৃত্যু অভিযুক্ত শান্ত পাল গ্রেফতার

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রেমিক শান্ত পালের বাসায় গিয়ে শারীরিক সম্পর্কের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে দিয়া বণিক নামে এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত দিয়া বণিক ময়মনসিংহের ভালুকা থানার ভালুকা গ্রামের মনি বণিক ও জয়া রানী বণিকের মেয়ে। গত রবিবার কোচিং ক্লাসের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে পরবর্তীতে সে প্রেমিকের সাথে দেখা করতে গাজীপুরের সফিপুরে যায়। সেখানে অবস্থানকালে ছেলেটি দিয়ার পরিবারকে ফোন করে জানায় যে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে স্বজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মেয়েটির আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি প্রকাশ পায়, এবং পরবর্তীতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু ঘটে।​ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে অভিযুক্ত শান্ত পালকে গ্রেফতার করেছে। শান্ত পাল কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল থানার বাসিন্দা এবং সে গাজীপুরের সফিপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিল। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণীর এমন অকাল ও বীভৎস মৃত্যুতে সনাতনী সমাজসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একটি সম্ভাবনাময় জীবনের এমন ট্র্যাজিক সমাপ্তি তরুণ প্রজন্মের নৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের এক আশঙ্কাজনক চিত্র ফুটিয়ে তোলে। সচেতন মহল ও মানবাধিকার কর্মীসহ হিন্দুত্ববাদী নেতৃবৃন্দ ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে অভিযুক্ত শান্ত পালের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এমন স্বজন হারানোর বেদনায় দগ্ধ হতে না হয়।

প্রেমিকের ধর্ষণে প্রেমিকার মৃত্যু অভিযুক্ত শান্ত পাল গ্রেফতার

ইয়াবাসহ মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীর বাউফলে ২৪ পিস ইয়াবাসহ অন্তর দাস (২৩) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত অন্তর দাস জেলার দশমিনা উপজেলা সদরের নলখোলা বাজার জুয়েলারী পট্টি এলাকার কানাই দাসের ছেলে। অপরাধের দায় ব্যক্তির নিজস্ব হলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দশমিনা উপজেলা সদরের নলখোলা বাজার শ্রী শ্রী কালি মাতা মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এছাড়া তিনি দৈনিক ‘প্রতিদিনের সংবাদ’ ও ‘এশিয়ান টেলিভিশনের’ দশমিনা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বলেও জানা গেছে।​গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল বাউফলের আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিপুর বাজারের পশ্চিম পাশে সড়কে অভিযান চালায়। সে সময় অন্তর দাসের কাছ থেকে ২৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ তাকে বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ প্রসঙ্গে এশিয়ান টেলিভিশনের পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি রাকিবুল ইসলাম তনু জানান, বিষযটি সম্পর্কে তারা অবহিত হয়েছেন এবং তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কারণ আইনের ঊর্ধ্বে কেউই নয়। অন্যদিকে দশমিনা থানা সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও অন্তর দাসের বিরুদ্ধে থানায় দায়ের হওয়া একটি চুরি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়েছে। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত অন্তর দাসের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মাদক আইনে মামলা দায়েরপূর্বক তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপরাধে যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এবং নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগের দাবি জানাচ্ছে সচেতন মহল।

ইয়াবাসহ মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি গ্রেপ্তার

যৌতুকের রাক্ষসী ক্ষুধায় ৩ সনাতনী বধূর জীবন প্রদীপ নিভে গেল

যৌতুকের নামে মানবতাবোধকে বিসর্জন দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পর পর তিনটি নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। গত ছয়-সাত মাসের ব্যবধানে যৌতুকের নিষ্ঠুর দাবির বলি হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন রাধা রানী, অস্টমী রানী এবং কবিতা রানী রায় নামের তিন সনাতনী গৃহবধূ। ধর্মীয় ও মানবিক অধিকারের তোয়াক্কা না করে হিন্দু পরিবারের তরুণীদের ওপর চালানো এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন আজ সমাজ ব্যবস্থার এক চরম অন্ধকার দিক তুলে ধরছে। এই অমানবিক ঘটনাগুলোতে স্থানীয় সমাজ ও প্রশাসনের নিশ্চুপ ভূমিকা সনাতনী সম্প্রদায়সহ সচেতন সব মানুষের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।​রাঘবপুর গ্রামের ১৭ বছরের কিশোরী রাধা রানীর মৃত্যু এই নির্মমতার এক জঘন্যতম দৃষ্টান্ত। অনাগত চার মাসের গর্ভস্থ সন্তানসহ রাধাকে প্রাণ দিতে হয়েছে মাত্র ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের বাকি পাওনার জন্য। বসতভিটার একমাত্র সহায় টুকু বিক্রি করে আড়াই লাখ টাকা যৌতুক মিটিয়ে দিয়েছিলেন অসহায় পিতা মহিন্দ্রনাথ রায়। বাকি অর্থ দিতে কয়েক মাস সময় চাওয়ার অপরাধেই রাধাকে নির্মম পরিণতি বরণ করতে হয়। অভিযোগ উঠেছে, পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর এটিকে আত্মহত্যার রূপ দেওয়া হয়েছে এবং সনাতনী রীতি অনুযায়ী পরিবারের সদস্যদের না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে সৎকারের মাধ্যমে সত্য গোপনের অপচেষ্টা করা হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, শোকসন্তপ্ত পরিবার বিচারের উদ্দেশ্যে থানায় শরণাপন্ন হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে মামলা নিতে তালবাহানা করা হয়।​অন্যদিকে, পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবনে মারা যাওয়া অস্টমী রানী রায়ের গল্পটিও সমান ব্যথাতুর। রানীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের মেয়ে অস্টমী পরিবারের অমতে বিয়ে করে ঘর বাঁধলেও যৌতুকের দাবি তাঁর জীবনকে বিষাদময় করে তোলে। স্বামী যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করলে ও পরিবার সেই আর্থিক দাবি মেটাতে অক্ষম হওয়ায় চরম হতাশায় ভুগে তিনি বিষপান করেন এবং শেষ পর্যন্ত চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।​একইভাবে বৈচনা ইউনিয়নের পাতিলাবিল গ্রামে সাত মাসের শিশুসন্তানের মা কবিতা রানী রায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবারের স্পষ্ট অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য স্বামী সুজন রায় তাঁর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন এবং নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত কবিতার প্রাণ দিতে হয়েছে। হত্যাকে ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর অভিযোগও এনেছেন স্বজনরা।

যৌতুকের রাক্ষসী ক্ষুধায় ৩ সনাতনী বধূর জীবন প্রদীপ নিভে গেল

লেলাংয়ের ঐতিহ্যবাহী মন্দিরে চুরি, পূজার সামগ্রীসহ আটক ৪ দুর্বৃত্ত

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং ইউনিয়নে একটি ঐতিহ্যবাহী সনাতনী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয়ে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত হানায় স্থানীয় সনাতনী জনগোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার অভাববোধ তৈরি হয়েছিল। ঘটনার পরেই ফটিকছড়ি থানা পুলিশ তৎপর হয়ে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার বিনাজুরি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করতে সক্ষম হয়।​আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন রুহুল, ইউসুফ, শাহাবুদ্দিন ও হাশেম। গ্রেপ্তার পরবর্তী অভিযানে মন্দির থেকে চুরি হওয়া বিভিন্ন পূজার সামগ্রী উদ্ধার করা গেলেও সনাতনীদের ভক্তির প্রতীক ও মাঙ্গলিক স্বর্ণালংকার এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর বণিকপাড়ার শ্রী শ্রী মঙ্গলচণ্ডী মন্দিরে এই চুরির ঘটনা ঘটে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হেনে দুর্বৃত্তরা মন্দির থেকে তিনটি ঘটি, তিনটি স্বর্ণের চেইন ও তিনটি লকেটসহ গুরুত্বপূর্ণ পূজার সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল আলম খান নিশ্চিত করেছেন যে, খোয়া যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার এবং জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

লেলাংয়ের ঐতিহ্যবাহী মন্দিরে চুরি, পূজার সামগ্রীসহ আটক ৪ দুর্বৃত্ত

নিখোঁজ সাংবাদিক বাদল দাস রহস্যজনকভাবে কারাগারে

দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার ফটোসাংবাদিক বাদল দাসের হঠাৎ নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তীতে পুলিশের গাঁজাসহ গ্রেপ্তারের দাবি প্রকাশের মধ্য দিয়ে পেশাগত সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। গত সোমবার থেকে নিখোঁজ থাকা এই সনাতনী সংবাদকর্মীর কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছিলেন তার পরিবার ও সহকর্মীরা। তাকে খুঁজে পাওয়ার আকুল আশায় রাজধানীর পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছিল। অথচ দীর্ঘ দুই দিন পর ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ দাবি করছে যে, মতিঝিল এলাকা থেকে মাদকসহ তাকে আটক করে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজের পর থেকে পুলিশের চরম অনীহা এবং পরবর্তীতে মাদক মামলার অভিযোগ সাজিয়ে তড়িঘড়ি করে কারাগারে প্রেরণের ঘটনা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা ও একজন সাংবাদিকের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিতকরণের বিষয়টি চরম প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।​স্বজন ও সহকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজের দিন বাদল দাসের ব্যবহৃত ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি তার কক্ষেই পড়ে ছিল। নিখোঁজ থাকা অবস্থায় একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তার বন্ধু সুজিত শেখ বাবুর কাছে ফোন করে দাবি করা হয় যে বাদল ডিবি হেফাজতে রয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে মতিঝিল থানা ও ডিবি কার্যালয়ে বহু যোগাযোগ করা সত্ত্বেও প্রশাসন বাদলকে আটকের তথ্যটি বারবার এড়িয়ে যায়। রহস্যজনকভাবে ডিবির পরিচয় দিয়ে ফোন করা নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়। দীর্ঘ নাটকীয়তা ও ধোঁয়াশা সৃষ্টির পর বুধবার রাতে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে বাদল দাসকে কারাগারে পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করে। পটুয়াখালী সদর উপজেলার নতুন বাজার এলাকার বাসু দেব দাসের ছেলে সাংবাদিক বাদল দাস দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। সনাতনী জনগোষ্ঠীর একজন স্বাধীন গণমাধ্যমকর্মীকে এভাবে হঠাৎ নিখোঁজ করে রেখে পরবর্তীতে বিতর্কিত অভিযোগে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় দেশের প্রগতিশীল সমাজ ও মানবাধিকার সচেতন মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এই ঘটনার আড়ালের প্রকৃত সত্য উন্মোচনের জোর দাবি জানাচ্ছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') একজন সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার যেকোনো গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের অন্যতম মূল ভিত্তি। একজন পেশাদার আলোকচিত্র সাংবাদিকের নিখোঁজ এবং তৎপরবর্তী এই রহস্যজনক গ্রেপ্তারের ঘটনা সাধারণ মানুষের আইন-শৃঙ্খলার ওপর আস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন করে। দেশের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি রক্ষা, সাংবাদিকদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান এবং একই সাথে সংখ্যালঘু ও সনাতনী সমাজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কোনো রূপ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপে জড়াবে না—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সর্বস্তরের নাগরিকেরা।

নিখোঁজ সাংবাদিক বাদল দাস রহস্যজনকভাবে কারাগারে

ফটোসাংবাদিক বাদল দাস নিখোঁজ: ডিবি পরিচয়ে রহস্যজনক ফোন

রাজধানীর কেন্দ্রস্থল গুলিস্তান থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার ফটোসাংবাদিক বাদল দাস (৫০)। গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত সম্ভাব্য সমস্ত জায়গায় পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা সন্ধান চালিয়েও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। দেশের সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের একজন পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীর এভাবে আচমকা হাওয়া হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে তার পরিবার, সহকর্মী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে তার নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের দাবি জানিয়েছে।​নিখোঁজ বাদল দাস পটুয়াখালী জেলা সদর থানার নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা বাসুদেব দাসের সন্তান। পেশাগত তাগিদে তিনি রাজধানীর গুলিস্তানের শিশু কল্যাণ পরিষদ ভবনে একটি কক্ষে বসবাস করছিলেন। ঘটনার পর সহকর্মীরা তার কক্ষে গিয়ে দেখতে পান, বাদল দাসের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি রুমেই পড়ে রয়েছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') পরবর্তীতে একটি অজানা নম্বর থেকে ফোন করে দাবি করা হয়, বাদল দাস আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর (ডিবি) হেফাজতে রয়েছেন। তবে বাদল দাসের রুমমেট ফটোসাংবাদিক ফোজিত শেখ বাবু মতিঝিল থানা ও ডিবি কার্যালয়ে বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে আটকের বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি এবং সেখান থেকেও তার কোনো হদিস মেলেনি। পরবর্তীতে ওই অজ্ঞাত ফোন নম্বরটিতে পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটিও বন্ধ পাওয়া যায়। একজন সংখ্যালঘু সাংবাদিকের এভাবে রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যাওয়া এবং প্রশাসনের কোনো স্পষ্ট বার্তা না থাকা সার্বিক মানবাধিকার ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক বড় প্রশ্নচিহ্ন দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।​সহকর্মী জাকির হোসেন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত বাদল দাসের সন্ধান সংক্রান্ত তথ্য মেলেনি। চরম উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার। নিখোঁজ ফটোসাংবাদিক বাদল দাসের দ্রুত সন্ধান পেতে পরিবার ও মানবাধিকারকর্মীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে রুমমেট ফোজিত শেখ বাবু অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

ফটোসাংবাদিক বাদল দাস নিখোঁজ: ডিবি পরিচয়ে রহস্যজনক ফোন

পলাশে সনাতনী গৃহবধূকে নির্যাতনের পর সন্তান জন্মদান: পিবিআইয়ের জালে মূল অভিযুক্ত ভাতিজা

নরসিংদীর পলাশে এক প্রবাসী সনাতনী পরিবারের বধূকে স্বজাতীয় প্রতিবেশী ভাতিজা কর্তৃক নির্যাতন, জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং এর ফলে সন্তান জন্মদানের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। প্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে অসহায় নারীর সরলতার সুযোগ নিয়ে সংঘটিত এই জঘন্য অপরাধ এবং পরবর্তীতে নিরপরাধ ভিকটিমকে সমাজ ও পরিবারের অবহেলার মুখোমুখি করার ঘটনাটি স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার সুরক্ষা ও সকল মানুষের প্রতি সমান মানবিক মর্যাদা সুনিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন সচেতন মহল।​ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নরসিংদীর পলাশ থানার দুবাই প্রবাসী হরিদাসের সাথে গত ২০১৮ সালে ভিকটিম তিথি রানী দাসের বিবাহ সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন তারা নিঃসন্তান ছিলেন। বিদেশে অবস্থানকালীন সময়ে গৃহস্থালি ও বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিবেশী ভাতিজা অপূর্ব দাস ভিকটিমের পরিবারে আসা-যাওয়া করত এবং সহায়তার সুযোগ নিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে একটি নিষ্পাপ শিশুর জন্ম দেয়। প্রবাসী স্বামী দেশে ফিরে স্ত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন এবং পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে ভিকটিম তিথি রানী দাস বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগ পেশ করলে আদালতের নির্দেশে পলাশ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়। উক্ত মামলায় নির্যাতনকারী অপূর্ব দাস এবং সাবেক স্বামী হরিদাসকে অভিযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে পিবিআই নরসিংদী জেলা মামলাটির তদন্তভার স্ব-উদ্যোগে গ্রহণ করে। পিবিআই-এর এসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে অভিযান পরিচালনা করেন এবং অভিযুক্ত অপূর্ব দাসকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন। গ্রেফতারকৃত আসামী আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। সনাতন সম্প্রদায়ের এক নারীর প্রতি এমন অন্যায়ের যথাযথ বিচার ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তদন্তকারী সংস্থা বর্তমানে প্রতিটি আসামীর দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে নিবিড় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

পলাশে সনাতনী গৃহবধূকে নির্যাতনের পর সন্তান জন্মদান: পিবিআইয়ের জালে মূল অভিযুক্ত ভাতিজা

রামু ট্র্যাজেডির ১৪ বছর: বিচারহীনতার দীর্ঘ ছায়ায় ক্ষুব্ধ ও শঙ্কিত

কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে সংঘটিত নারকীয় তাণ্ডবের দীর্ঘ ১৪ বছর অতিবাহিত হলেও বিচার প্রক্রিয়ার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় স্থানীয় ধর্মীয় সংখ্যালঘু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর ক্ষোভ, হতাশা ও বিচারহীনতার আতঙ্ক বিরাজ করছে। ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে এক বৌদ্ধ যুবকের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ তুলে রাতের অন্ধকারে রামুর ১২টি দৃষ্টিনন্দন বৌদ্ধ বিহার এবং ৩০টি বসতঘরে নৃশংস হামলা, ব্যাপক লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়। একই সময়ে উখিয়া ও টেকনাফেও ছড়িয়ে পড়া এই সহিংসতায় আরো সাতটি বৌদ্ধ বিহার ও ১১টি বসতঘর পুড়িয়ে ছারখার করা হয়, যেখানে আরো শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত উপাসনালয় ও ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণ করা হলেও এবং বাহ্যিক সম্প্রীতির আবহ তৈরি হলেও মূল অপরাধীরা এখনো শাস্তি না পাওয়ায় সংক্ষুব্ধ জনগোষ্ঠীর মনের ক্ষত একটুও শুকায়নি।​বাঙালি সনাতনী ও অসাম্প্রদায়িক ধারার সুরক্ষায় নিবেদিত অংশ হিসেবে উল্লেখ্য যে, দেশে যেকোনো ধর্মীয় বা জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নটি সর্বদা মৌলিক মানবাধিকারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই সহিংসতার পর পুলিশ এজাহারভুক্ত ৩৭৮ জনসহ অজ্ঞাতনামা সাড়ে ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে ২০টি মামলা দায়ের করে এবং ৯৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও মাত্র একটি মামলা আপোসে নিষ্পত্তি ছাড়া বাকি মামলাগুলোর বিচারকাজ প্রায় স্থবির হয়ে আছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') স্থানীয় প্রবীণ ও ধর্মীয় প্রতিনিধিরা অভিযোগ তুলেছেন যে, পুলিশের দায়ের করা এসব মামলায় মূল অপরাধীদের বাদ দিয়ে নিরপরাধ বহু মানুষকে জড়ানো হয়েছে এবং সঠিক প্রমাণের অভাব দেখিয়ে কিংবা সাক্ষীদের অনিয়মের অজুহাতে বিচারপ্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। বিচারসংশ্লিষ্টদের একাংশ সাক্ষীর অনুপস্থিতিকে কারণ হিসেবে দেখালেও ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলার সময়কার ছবি ও ভিডিওচিত্রগুলোকে ডিজিটাল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করলেই সঠিক বিচার পাওয়া সম্ভব হতো।​ঐতিহাসিক রামু ট্র্যাজেডির ১৪তম বর্ষপূর্তিতে রামু বুড্ডিস্ট সোশ্যাল মুভমেন্ট বুদ্ধ উপাসনা, চিত্র প্রদর্শনী ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণ করার পাশাপাশি ঘটনার পুনস্তদন্ত ও সরকারি নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় প্রবীণ ধর্মীয় গুরু শীলপ্রিয় মহাথের ও বৌদ্ধ নেতাদের মতে, বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি কেবল রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক নয়, বরং ভবিষ্যতে অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সুরক্ষাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। যেকোনো অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলার প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে সব জাতির মানবাধিকার রক্ষা অধরাই থেকে যাবে, তাই অবিলম্বে রামু ট্র্যাজেডির নিরপেক্ষ ও দ্রুত বিচার সম্পন্ন করাই এখন সময়ের দাবি।

রামু ট্র্যাজেডির ১৪ বছর: বিচারহীনতার দীর্ঘ ছায়ায় ক্ষুব্ধ ও শঙ্কিত

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী কষ্টিপাথর প্রতিমাসহ গ্রেপ্তার ৪ দুষ্কৃতকারী

ফরিদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহাসিক সদর হাসপাতাল সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী পুরাতন কালীবাড়ী। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পরম বিশ্বাস ও আবেগের প্রতীক এই জাগ্রত মন্দিরে গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে নেমে এসেছিল এক অন্ধকার ছায়া। তালা কেটে নিমিষেই গায়েব করে দেওয়া হয়েছিল ভক্তদের বহু বছরের আস্থার প্রতীক, কয়েক কোটি টাকা মূল্যের দুষ্প্রাপ্য কষ্টিপাথরের মা কালীর প্রতিমা ও দেবোত্তর সম্পত্তি। তবে সত্যের জয় ও ভক্তদের আকুল প্রার্থনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবশেষে উদ্ধার করতে পেরেছে সেই পবিত্র বিগ্রহ। মাটির গভীর অন্ধকার থেকে আলোর মুখ দেখেছে ২০ কেজি ওজনের অতি দুর্লভ কষ্টিপাথরের মা কালী প্রতিমা, সাথে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া পাঁচ ভরি স্বর্ণ, ৩০ ভরি রূপা ও ছয়টি পিত্তলের প্রতিমা। এমনকি চুরি যাওয়া অলংকার গলিয়ে ফেলা আট আনা গলানো স্বর্ণও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​বাংলাদেশজুড়ে বারবার আঘাত হানা অশুভ শক্তির কালো হাত যখন সংখ্যালঘুদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের ওপর ছায়াপাত ঘটায়, তখন এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা গোটা মানবতাকেই লজ্জিত করে। তদন্তের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুরাইচ গ্রামের আসাদুজ্জামান সাদ্দাম, তার মা সাজেদা বেগম, বোয়ালমারীর কান্দাকুল গ্রামের আল আমিন মোল্লা এবং বোয়ালমারীর আতিয়ার রহমানকে। এই ঘৃণ্য অপরাধের শিকার হয়ে সনাতনী সমাজ যে রক্তক্ষরণে ভুগছিল, এই গ্রেপ্তারে সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও প্রশ্ন থেকে যায় দেবোত্তর সম্পত্তির সুরক্ষায় মানবাধিকার ও আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে। সকল জাতির ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করাই যেখানে সভ্য সমাজের মূল ভিত্তি, সেখানে মন্দিরে মন্দিরে এই ধরনের হীন আক্রমণ প্রতিরোধে প্রয়োজন আরও কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী কষ্টিপাথর প্রতিমাসহ গ্রেপ্তার ৪ দুষ্কৃতকারী

বরিশালে সনাতনী বৃদ্ধার দোকান দখলে হামলা-লুটপাট, বিচার চেয়ে আদালতের দ্বারে আড়াই দশক

বরিশালের ঐতিহ্যবাহী চকবাজারের একটি ছোট্ট দোকান—৮০ বছরের বৃদ্ধা মালতী রাণীর জীবনের শেষ সম্বল। আর এই সম্বলটুকুকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে দীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি। বাংলাদেশের সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের অধিকার রক্ষা ও মৌলিক বিচার পাওয়ার লড়াই কতটা কঠিন, তার এক করুণ ও নৃশংস বাস্তবতার সাক্ষী হয়ে উঠেছে মালতী রাণীর জীবন। দীর্ঘ আড়াই দশক পেরিয়ে গেলেও আজও তিনি ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন, যখন মামলাটি বর্তমানে বরিশাল সিনিয়র সিভিল কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।​বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট ও প্রভাব খাটিয়ে মোঃ জামাল হোসেন নোমান এবং তাঁর ভাই মোঃ হুমায়ুন কবির লিংকু দীর্ঘদিন ধরে এই অসহায় সনাতনী বৃদ্ধা ও তাঁর পরিবারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। দখলদারিত্বের এই নির্মম ধারাবাহিকতা থেমে থাকেনি; গত ৬ আগস্ট দেশে তৈরি হওয়া অস্থায়ী অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে তারা পুনরায় ওই ছোট্ট দোকানটিতে অতর্কিত হামলা, চরম ভাঙচুর এবং ব্যাপক লুটপাট চালায়। জীবন বাজি রেখে এই অন্যায়ের বাধা দিতে গেলে ৮০ বছরের বৃদ্ধা মালতী রাণী, তাঁর কন্যা ও জামাতাকে শারীরিক নির্যাতন ও বেধড়ক মারধর করা হয়, যা সভ্য সমাজে মানবাধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন।​আইনের অলিগলি এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে ফাঁকি দিতে অভিযুক্তরা অত্যন্ত ধূর্ততার পরিচয় দিয়েছে। তারা ২০০৪ সালের মূল দেওয়ানি মামলার বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপন করে উল্টো অসহায় মালতী রাণীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। কেবল জেরার নামে আদালতের ১৯টি কার্যদিবস পার করে দিয়ে বিচারপ্রক্রিয়াকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্থবির করে রাখা হয়েছে। রাজনৈতিক ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেও এই প্রভাবশালী চক্রের দাপট ও অত্যাচার বিন্দুমাত্র কমেনি। সমস্ত প্রমাণ ও সংবাদ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় সিনিয়র নেতাদের সামনে তুলে ধরার পরও রহস্যজনকভাবে কোনো প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, উল্টো স্থগিত থাকা পদ ফিরিয়ে দিয়ে তাদের আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') ফলে ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে পড়েছে।​আজ অমানবিক বিচারহীনতা, আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে আশি ছুঁইছুঁই এই সনাতনী বৃদ্ধা জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছে মৃত্যুশয্যায় শায়িত। একটি স্বাধীন দেশের বিচারব্যবস্থার এমন চরম শ্লথগতি এবং একজন নিরপরাধ হিন্দু বৃদ্ধার ২৫ বছর ধরে তিল তিল করে ক্ষয়ে যাওয়ার মর্মান্তিক চিত্র বরিশালের সচেতন সমাজ ও সাধারণ মানুষকে গভীর স্তব্ধ ও ক্ষুব্ধ করেছে। বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের দিকে আজ সুশীল সমাজের একটাই প্রশ্ন—যে ন্যায়বিচার একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার, তা কি তবে এই অসহায় বৃদ্ধার মৃত্যুর পর আসবে?

বরিশালে সনাতনী বৃদ্ধার দোকান দখলে হামলা-লুটপাট, বিচার চেয়ে আদালতের দ্বারে আড়াই দশক

২২ ভরি সোনা নিয়ে পলাতক ব্যবসায়ী ঢাকায় আটক

লক্ষ্মীপুরে চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে গ্রাহককে দেখানোর কথা বলে নেওয়া প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ ওঠা ব্যবসায়ী রণজিত পালকে ঢাকায় আটক করেছে পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, তার কাছ থেকে নেওয়া স্বর্ণালংকারগুলোও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আলমগীর হোসেন ও জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার।আটক রণজিত পাল লক্ষ্মীপুর বাজারের স্বর্ণকার সড়কের পাল শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী। তিনি পরিবার নিয়ে শহরের শাঁখারিপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়।স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রায় ৩০ বছর ধরে লক্ষ্মীপুর বাজারে সোনার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রণজিত। দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে অন্য জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা তার ওপর আস্থা রাখতেন।তাদের ভাষ্য, বিভিন্ন দোকান থেকে গহনা নিয়ে তিনি গ্রাহকদের দেখাতেন এবং বিক্রি করতেন। সেই পরিচিতি ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের সুযোগেই তাকে গহনা দেওয়া হতো।সোমবার সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে লক্ষ্মীপুর বাজারের চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে একইভাবে গ্রাহককে দেখানোর কথা বলে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নেন রণজিত।তবে পরে গহনাগুলো ফেরত না দিয়ে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।সন্ধ্যা পর্যন্ত তার নিজের দোকান খোলা থাকলেও সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে শাঁখারিপাড়ার ভাড়া বাসায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রণজিত পালিয়ে গেছেন বলেও ধারণা করেন কয়েকজন ব্যবসায়ী।ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন তমা শিল্পালয়ের পলাশ কুরী, বণিক শিল্পালয়ের সাগর বণিক, পুনম শিল্পালয়ের ঝুটন কুরী এবং শিবানী শিল্পালয়ের অসীম কর।তমা শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী পলাশ কুরী বলেন, সোনা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিনি লিখিত অভিযোগ করেছেন। পরে পুলিশ রণজিতকে আটক করেছে।লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার বলেন, বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২২ ভরি সোনা নিয়ে নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে পুরো সোনাও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আলমগীর হোসেন জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে লক্ষ্মীপুরে নিয়ে আসা হচ্ছে।ঘটনাটি নিয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২২ ভরি সোনা নিয়ে পলাতক ব্যবসায়ী ঢাকায় আটক

ছাত্রলীগ নেতাকে পালানোর সুযোগ দেওয়ার অভিযোগে এসআই অসিত কুমার প্রত্যাহার

গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতাকে পালানোর সুযোগ দেওয়ার অভিযোগে এসআই প্রত্যাহারপুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে বদলগাছী থানার এসআই অসিত কুমারকে। ছবি: সংগৃহীতনওগাঁর বদলগাছীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) অসিত কুমারকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে পরবর্তী সময়ে অভিযান চালিয়ে আবার ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেছেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত রাকিবুল হাসানকে প্রথম দফায় গ্রেপ্তারের সময় পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।রাকিবুল হাসান বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউনিয়নের আক্কেলপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়ভাবে তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১০ সেপ্টেম্বর ভোরে আক্কেলপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে রাকিবুল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে ছিলেন বদলগাছী থানার এসআই অসিত কুমার। এর আগে ভান্ডারপুর বাজারে তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হয়েছিল।এসআই অসিত কুমার বলেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় রাকিবুলকে ধরতে অভিযান চালানো হয়। ভান্ডারপুর বাজারে তাঁকে ধরার চেষ্টা করা হলেও তিনি অন্য একটি মোটরসাইকেলে চলে যান। পরে রাতে আবার অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথম দফায় রাকিবুলকে আটক করার পর টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তবে কে বা কারা এমন অভিযোগ করেছেন, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না।এসআই অসিত কুমার জানান, রাকিবুলকে তিনিই গ্রেপ্তার করেছেন। পরে তাঁকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার এ বিষয়ে তাঁকে সরাসরি কিছু বলেননি বলেও জানান তিনি।বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন এসআই অসিত কুমারকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রথমে রাকিবুলকে পেয়ে ছেড়ে আসা হয়েছে—এমন একটি অভিযোগ পুলিশ সুপারের কাছে যাওয়ার পর এসআই অসিত কুমারকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ওই এসআই রাকিবুলকে গ্রেপ্তার করেন।নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রথমবার রাকিবুলকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তাঁকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ কারণেই এসআই অসিত কুমারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘প্রথমবার কেন পালিয়ে গেল, এ জন্য তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।’ দায়িত্ব পালনের সময় এসআইয়ের আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ছাত্রলীগ নেতাকে পালানোর সুযোগ দেওয়ার অভিযোগে এসআই অসিত কুমার প্রত্যাহার