হিন্দুস নিউজ
Topic Ads 1
খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে গভীর রাতে ৩ প্রতিমা ভাঙচুর

খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে গভীর রাতে ৩ প্রতিমা ভাঙচুর

শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ আর প্রাক-প্রস্তুতির আবহ যখন সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের ঘরে ঘরে, ঠিক তখনই কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক জঘন্য ঘটনার শিকার হয়েছে স্থানীয় একটি মন্দির। সর্বজনীন ধর্মীয় উৎসবের ঠিক আগমুহূর্তে সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনে মধ্যরাতে এই প্রতিমা ভাঙচুরের তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতকারীরা।​সংবাদ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার পর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়। রাতের গভীর অন্ধকারে অশুভ উদ্দেশ্যে মন্দিরের সীমানায় প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে নির্মিত নির্মাণাধীন ও প্রস্তুতকৃত তিনটি প্রতিমা ব্যাপকভাবে ভাঙচুর ও ক্ষতিগ্রস্ত করে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার এবং সকল জাতি ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের এই ধিক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে চরম ক্ষোভ, আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বজনীন ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের এমন অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সর্বস্তরের সনাতনী ও মানবাধিকার সচেতন নাগরিকেরা।

২৪ কেজি ওজনের অমূল্য কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর একটি বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২৪ কেজি ৪৫০ গ্রাম ওজনের একটি মূল্যবান কষ্টি পাথরের মূর্তি। গত বুধবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খ. আখলাকুর রহমান, জি, আর্টিলারির নেতৃত্বে বিজিবির একটি চৌকস দল এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ডাবরী বিওপির সীমান্ত পিলার ৩৬৮/১-এস থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘মনিস কোয়ান’ নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত ও মালিকবিহীন অবস্থায় ঐতিহ্যবাহী এই কষ্টি পাথরের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া প্রাচীন ও ধর্মীয় গুরুত্ব বহনকারী এই মূর্তিটির আনুমানিক সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ২৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ পাচার প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবেই এই সফলতা অর্জিত হয়েছে। ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন স্পষ্ট জানিয়েছে যে মাদক, অবৈধ সম্পদ ও প্রত্নসম্পদ পাচার রুখতে তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে অটল রয়েছে এবং সার্বিক নিরাপত্তায় স্থানীয় সনাতনী ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা চেয়েছে।

২৪ কেজি ওজনের অমূল্য কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

বরেন্দ্রর মাটি থেকে মিলল সপ্তম শতকের বিরল সূর্যপুত্র ‘রেবন্ত’ ভাস্কর্য

রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বরেন্দ্র অববাহিকা ও সীমান্ত অঞ্চলের মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হওয়া হাজার বছরের প্রাচীন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও অপরাপর সংস্কৃতির অমূল্য প্রত্নসম্পদ অবশেষে ঠাঁই পেল জাতীয় জাদুঘরের সুরক্ষিত হেফাজতে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১ বিজিবি, রাজশাহী ব্যাটালিয়ন)-এর দীর্ঘ প্রশাসনিক তৎপরতায় উদ্ধারকৃত একটি অতি দুর্লভ রেবন্ত মূর্তি, জৈন তীর্থংকর, অপরাজিতা, মহাকালী চামুণ্ডা, নটরাজ শিব ও বেশ কয়েকটি বিষ্ণুমূর্তিসহ মোট ২৬টি প্রাচীন ভাস্কর্য এবং ১ হাজার ৮১৮টি প্রাচীন ধাতব মুদ্রা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে জাতীয় জাদুঘরের ইতিহাস ও ধ্রুপদি শিল্পকলা বিভাগে।​উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দিক থেকে সবচেয়ে বড় চমক বেলে পাথরের তৈরি সূর্যপুত্র 'রেবন্ত'-এর মূর্তিটি। প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ভাস্কর্যটি সপ্তম শতকের—যা এ অঞ্চলের প্রাচীন সনাতনী ভাস্কর্যশৈলী ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক বিরল দলিল। হিন্দু শাস্ত্র ও পৌরাণিক বর্ণনা মতে, রৈবত বা রেবন্ত হলেন সৌরদেবতা সূর্য ও তাঁর পত্নী সংজ্ঞার কনিষ্ঠ সন্তান। প্রাচীন বাংলা ও বিহারের মধ্যযুগীয় ধারায় ঘোড়ায় চড়া শিকারির বেশে তাঁর পূজার বিশেষ প্রচলন ছিল। সম্প্রতি হস্তান্তরিত এই সংগ্রহের তথ্য পর্যালোচনায় প্রত্ন-গবেষকরা জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের সনাতন ধর্মীয় ভাবধারা ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের শিকড় কতটা গভীরে বিস্তৃত ছিল, তা এই ভাস্কর্যগুলোর মাধ্যমে আবারও দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে নবম-দশম শতকের জৈন তীর্থংকর, একাদশ-দ্বাদশ শতকের অপরাজিতা দেবী, বিক্রমশালী চামুণ্ডা, তাণ্ডবরূপী নটরাজ শিব, অক্ষত শিবলিঙ্গ এবং বেশ কিছু প্রাচীন কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি রয়েছে। গোদাগাড়ী, বাঘা, চারঘাট ও কাটাখালীর মতো সীমান্তবর্তী নদীঘেঁষা এলাকা থেকে বিভিন্ন সময় বিজিবির হাতে আটক হওয়া এসব নিদর্শন পাচারকারীদের হাত থেকে বেঁচে যায়। পরবর্তীতে ব্যাটালিয়নে উপযুক্ত সংরক্ষণাগার না থাকায় এবং জাতীয় সম্পদ বিনষ্টের ঝুঁকিতে পড়ায় ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত টানা ৯টি দাপ্তরিক চিঠি আদান-প্রদানের পর চার সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল পাঠায় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।​বিজিবি ও জাতীয় জাদুঘরের এই যৌথ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ঐতিহ্যপ্রেমীরা বলছেন, বাংলার প্রাচীন সনাতনী ও ধার্মিক ঐতিহ্যের এসব প্রত্নবস্তু রক্ষা করা শুধু ইতিহাস রক্ষা নয়, বরং এ দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও মানবাধিকারের ভিত্তিকে সমৃদ্ধ করা। জাতীয় জাদুঘরের সংরক্ষণ রসায়নাগার বিভাগে প্রয়োজনীয় পরিচর্যা শেষ হলেই বিশেষ প্রদর্শনী ও গবেষণার জন্য এসব অমূল্য ঐতিহাসিক সম্পদ উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বরেন্দ্রর মাটি থেকে মিলল সপ্তম শতকের বিরল সূর্যপুত্র ‘রেবন্ত’ ভাস্কর্য

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে প্রতিমা ভাঙচুরের ও পূজার আগেই প্রতিমাকে বিসর্জন দিয়ে দেয় দুর্বৃত্তর

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ‘সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলন’। পূজা শুরুর আগেই এমন ঘটনা ঘটায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে জড়িয়োদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি পদক্ষেপ এবং সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলন জানায়, এটি কেবল পঞ্চগড়ের কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি দেশের সামগ্রিক ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার প্রশ্ন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এক অঞ্চলের ঘটনাকে "অন্য কোনো এলাকার বিষয় নয়" ভেবে নীরব থাকার সুযোগ নেই, কারণ অন্যের অধিকার রক্ষা করা নিজের অধিকার সুরক্ষারই অংশ। সংগঠনটি কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা বা প্রতিশোধ নয়, বরং নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে সুবিচার, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে প্রতিমা ভাঙচুরের ও পূজার আগেই প্রতিমাকে বিসর্জন দিয়ে দেয় দুর্বৃত্তর

কেন্দুয়ায় দুর্গা মন্দির ভাঙচুর

শারদীয় দুর্গোৎসবের ঠিক প্রাক্কালে নেত্রকোনা-৩ আসনের কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কাশিপুর শীলবাড়ি দুর্গা মন্দিরে এক বর্বর ও ন্যাক্কারজনক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রাতের আঁধারে করা এই তাণ্ডবে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে গভীর উদ্বেগ, আতঙ্ক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে নিজ ভূমিতে নিজস্ব ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে সনাতনীদের যে নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে, এই ঘটনা তারই এক করুণ ও বাস্তব প্রতিফলন। উৎসবের মুখে সার্বজনীন মণ্ডপে এ ধরনের হীন হামলা কেবল একটি সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত নয়, বরং মৌলিক মানবাধিকারে জোরপূর্বক হস্তক্ষেপরই নামান্তর। যেকোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম সমাজে প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শান্তিতে ও নিরাপদে পালন করার মৌলিক অধিকার রয়েছে, যা কোনোভাবেই ছিনিয়ে নেওয়া যায় না।​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​এই ন্যক্কারজনক ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অপরাধীদের অবিলম্বে শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি উঠেছে। এলাকার সাংসদ জনাব রফিকুল ইসলাম হিলালী এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে, কেবল আশ্বাস নয়—প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে তাদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আগামী দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে সকল মন্দির ও প্রতিমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকেই সর্বোচ্চ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। যদি সনাতনীদের নিরাপত্তা প্রদানে ও হামলাকারীদের বিচারে কোনো ধরনের শিথিলতা প্রদর্শন করা হয়, তবে এর জবাবদিহিতা স্থানীয় প্রশাসন ও নেতৃবৃন্দের কেউই এড়াতে পারবেন না। ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও সকল জাতির অধিকার রক্ষায় স্থান, কাল ও রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে স্থানীয় সর্বস্তরের জনসাধারণকে এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে।

কেন্দুয়ায় দুর্গা মন্দির ভাঙচুর

লেলাংয়ের ঐতিহ্যবাহী মন্দিরে চুরি, পূজার সামগ্রীসহ আটক ৪ দুর্বৃত্ত

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং ইউনিয়নে একটি ঐতিহ্যবাহী সনাতনী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয়ে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত হানায় স্থানীয় সনাতনী জনগোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার অভাববোধ তৈরি হয়েছিল। ঘটনার পরেই ফটিকছড়ি থানা পুলিশ তৎপর হয়ে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার বিনাজুরি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করতে সক্ষম হয়।​আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন রুহুল, ইউসুফ, শাহাবুদ্দিন ও হাশেম। গ্রেপ্তার পরবর্তী অভিযানে মন্দির থেকে চুরি হওয়া বিভিন্ন পূজার সামগ্রী উদ্ধার করা গেলেও সনাতনীদের ভক্তির প্রতীক ও মাঙ্গলিক স্বর্ণালংকার এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর বণিকপাড়ার শ্রী শ্রী মঙ্গলচণ্ডী মন্দিরে এই চুরির ঘটনা ঘটে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হেনে দুর্বৃত্তরা মন্দির থেকে তিনটি ঘটি, তিনটি স্বর্ণের চেইন ও তিনটি লকেটসহ গুরুত্বপূর্ণ পূজার সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল আলম খান নিশ্চিত করেছেন যে, খোয়া যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার এবং জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

লেলাংয়ের ঐতিহ্যবাহী মন্দিরে চুরি, পূজার সামগ্রীসহ আটক ৪ দুর্বৃত্ত

সেপ্টেম্বর জুড়ে সনাতনীদের অব্যাহত হত্যা, হামলা ও মন্দির ভাঙচুরের পরিসংখ্যান

বাংলাদেশে সনাতনী হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর পরিকল্পিত হয়রানি, নির্যাতন ও নিরাপত্তার চরম সংকট ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। অতি সম্প্রতি প্রকাশিত একটি উদ্বেগজনক নথিতে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংখ্যালঘুদের ওপর অন্তত ৫০টি পৃথক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। Sanatani Research & IT Ltd.-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে 'SAMIDH' কর্তৃক প্রস্তুতকৃত "Fact Sheet on Minority Persecution"-এ এই শিউরে ওঠার মতো চিত্র উঠে এসেছে। নথিতে প্রদর্শিত তথ্য ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমানে দেশের হিন্দু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মৌলিক মানবাধিকার এবং অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখোমুখি।​সেপ্টেম্বর মাসের এই সামগ্রিক নথিতে সবচেয়ে বেদনার বিষয় হলো জীবনহানির ঘটনা। এক মাসের ব্যবধানেই কেবল ধর্মীয় ও জাতিগত পরিচয়ের কারণে ৯ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রাণকেন্দ্র ও বিশ্বাসের প্রতীক পবিত্র উপাসনালয়গুলোর ওপরও চলেছে নৃশংস তাণ্ডব। এক মাসেই ৮টি মন্দির ভাঙচুর ও অপবিত্র করা হয়েছে, যা সনাতনী আত্মপরিচয়ের ওপর চরম আঘাত। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সন্ত্রাসী হামলা ঘটেছে ৯টি, চুরি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে ৯টি এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৩ জন। এমনকি প্রকাশ্যে বন্দুক উঁচিয়ে গুলিবর্ষণের ২টি ঘটনা এবং ১টি অপহরণের তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে।​নিরাপত্তাহীনতা ও অধিকার লঙ্ঘনের এই সার্বিক প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপরও চরম আঘাত আনা হচ্ছে। জমি জোরপূর্বক দখলের ২টি এবং চাঁদাবাজির ২টি ঘটনা সরাসরি সংখ্যালঘুদের অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল করে দেওয়ার অপচেষ্টাকে নির্দেশ করে। পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার ৩টি এবং ধর্ম অবমাননার ২টি ঘটনা সনাতনীদের মধ্যে সার্বিক আতঙ্ক ও অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এই সব তথ্য কোনো বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক অপরাধের অংশ নয়, বরং দেশের একাধিক অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা এসব ঘটনার ধরন থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও উৎখাতের একটি ধারাবাহিক নকশা ক্রিয়াশীল রয়েছে। দুর্বল আইন প্রয়োগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়া, অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা এবং উগ্র সাম্প্রদায়িক মনোভাবই এই সংকটকে দিন দিন আরও গভীর করে তুলছে।​পূর্ববর্তী মাসের তুলনামূলক চিত্র পর্যালোচনা করলেও পরিস্থিতি শিহরণ জাগানিয়া। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের শুরুতে টাঙ্গাইল ও মাদারীপুর সহ বিভিন্ন জেলায় মন্দির ও দেব-দেবী প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল, যা সনাতনী সমাজকে গভীরভাবে ব্যথিত ও আতঙ্কিত করেছে। নথির তথ্যানুযায়ী, কেবল ভৌগোলিক বা বস্তুগত ক্ষতি নয়, বরং এই নিপীড়ন মানবতাবোধ ও সকল জাতির মানবাধিকারের মূল ভিত্তিতে আঘাত হানছে। ফলে অনেকেই নিজেদের ভিটামাটি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন এবং সামাজিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে সংকুচিত হচ্ছে। প্রসেনজিৎ কুমার হালদারের সম্পাদনা, দেবব্রত সরকারের দায়িত্বশীল তদারকি এবং নিরব সরকারের তথ্য বিশ্লেষণে তৈরি এই প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র ও নাগরিক সমাজকে অনতিবিলম্বে এই অরাজকতা প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। সংখ্যালঘুদের সম্পত্তির অধিকার নিশ্চিতকরণ, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবল এই মানবাধিকার সংকট থেকে মুক্তির পথ উন্মোচিত হতে পারে।

সেপ্টেম্বর জুড়ে সনাতনীদের অব্যাহত হত্যা, হামলা ও মন্দির ভাঙচুরের পরিসংখ্যান

শরীয়তপুরে ৪ পিতলের মূর্তি চুরি

শরীয়তপুরে নিজ গৃহের পারিবারিক মন্দির থেকে ঐতিহ্যবাহী চারটি সনাতনী দেব-দেবীর পিতলের বিগ্রহ চুরির এক উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বালুচর এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বী অশোক কুমার দের বাড়ির মন্দিরে এই দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। চুরি যাওয়া মূল্যবান প্রতিমাগুলোর মধ্যে রয়েছে শ্রীশ্রী দুর্গা, গণেশ, লক্ষ্মী ও ভগবানের মূর্তি। একটি অসাম্প্রদায়িক দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের উপাসনালয়ে প্রতিনিয়ত এ ধরনের নিরাপত্তাহীনতা এবং চুরির ঘটনা স্থানীয় ধর্মপ্রাণ ভক্তদের মনে গভীর ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। মন্দির কমিটির সূত্রে জানা গেছে, সকালে পরিবারের সদস্যরা যার যার কাজে বাইরে গেলে ফাঁকা বাড়ির সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতকারীরা মন্দিরে প্রবেশ করে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') বিকেলে ভক্তরা পূজা অর্চনার জন্য মন্দিরে প্রবেশ করলে বিগ্রহগুলো গায়েব দেখতে পান এবং পরবর্তীতে বিষয়টি পালং মডেল থানা পুলিশকে জানানো হয়। সিসিটিভি ফুটেজে লাল গেঞ্জি পরা এক সন্দেহভাজন যুবককে মন্দিরে প্রবেশ করতে দেখা গেলেও এখন পর্যন্ত অপহৃত বিগ্রহগুলো উদ্ধার কিংবা অপরাধীকে আটক করতে পারেনি প্রশাসন। স্থানীয় সনাতনী সমাজ দ্রুততম সময়ে প্রতিমাগুলো উদ্ধার এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

শরীয়তপুরে ৪ পিতলের মূর্তি চুরি

আশাশুনিতে ৩৫ হাজার মুক্তায় সাজছে শারদীয় দুর্গোৎসব

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে এবার শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে শুরু হয়েছে এক অভূতপূর্ব ও ব্যতিক্রমী আয়োজন। প্রতি বছর প্রতিমা নির্মাণে বৈচিত্র্য আনার ধারাবাহিকতায় এবার যোগ হয়েছে এক অনন্য নান্দনিক মাত্রা, যেখানে প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তার সূক্ষ্ম কারুকার্যে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে দুর্গা প্রতিমা। দক্ষিণ ভারতীয় নান্দনিক নকশা ও আধুনিক ভাবনার মেলবন্ধনে প্রখ্যাত ভাস্কর প্রকাশ মণ্ডলের নিপুণ হাতে নির্মিত এই অনন্য প্রতিমা দেখতে পূজা শুরুর আগেই বুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সনাতনী ধর্মাবলম্বীসহ সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামতে শুরু করেছে। প্রায় চার লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ও ১৩টি প্রতিমা সম্বলিত এই বিশাল মণ্ডপটি কেবল ধর্মীয় আচারেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি হয়ে উঠেছে অধিকার, সংস্কৃতি ও স্থানীয় জনজীবনের মেলবন্ধনের কেন্দ্রবিন্দু।​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরের পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি অর্ধেন্দু মণ্ডল ও সাধারণ সম্পাদক প্রবীর মণ্ডল জানান যে, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি পূজার দিনগুলোতে থাকছে বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজন ও ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা, যা হিন্দু ঐতিহ্য ও অধিকার রক্ষার সংগ্রামকে আরও বেগবান করবে। আগামী ১৭ অক্টোবর ষষ্ঠীর বোধন থেকে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী পর্যন্ত উদ্যাপিত এই উৎসবে দশটি মণ্ডপের প্রতিমা একসাথে বিসর্জনের জন্য বিখ্যাত 'বুড়িয়া আড়ং মেলা'র আয়োজন করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে, যা যেকোনো মূল্যে সনাতনীদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর। স্থানীয় সকল সম্প্রদায়ের যৌথ উপস্থিতিতে আশাশুনির এই আয়োজন প্রমাণ করে যে, নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ধর্মীয় উৎসব পালনে বাংলাদেশের সনাতনী সমাজ আজ আত্মবিশ্বাসী ও ঐক্যবদ্ধ।

আশাশুনিতে ৩৫ হাজার মুক্তায় সাজছে শারদীয় দুর্গোৎসব

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী কষ্টিপাথর প্রতিমাসহ গ্রেপ্তার ৪ দুষ্কৃতকারী

ফরিদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহাসিক সদর হাসপাতাল সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী পুরাতন কালীবাড়ী। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পরম বিশ্বাস ও আবেগের প্রতীক এই জাগ্রত মন্দিরে গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে নেমে এসেছিল এক অন্ধকার ছায়া। তালা কেটে নিমিষেই গায়েব করে দেওয়া হয়েছিল ভক্তদের বহু বছরের আস্থার প্রতীক, কয়েক কোটি টাকা মূল্যের দুষ্প্রাপ্য কষ্টিপাথরের মা কালীর প্রতিমা ও দেবোত্তর সম্পত্তি। তবে সত্যের জয় ও ভক্তদের আকুল প্রার্থনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবশেষে উদ্ধার করতে পেরেছে সেই পবিত্র বিগ্রহ। মাটির গভীর অন্ধকার থেকে আলোর মুখ দেখেছে ২০ কেজি ওজনের অতি দুর্লভ কষ্টিপাথরের মা কালী প্রতিমা, সাথে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া পাঁচ ভরি স্বর্ণ, ৩০ ভরি রূপা ও ছয়টি পিত্তলের প্রতিমা। এমনকি চুরি যাওয়া অলংকার গলিয়ে ফেলা আট আনা গলানো স্বর্ণও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​বাংলাদেশজুড়ে বারবার আঘাত হানা অশুভ শক্তির কালো হাত যখন সংখ্যালঘুদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের ওপর ছায়াপাত ঘটায়, তখন এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা গোটা মানবতাকেই লজ্জিত করে। তদন্তের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুরাইচ গ্রামের আসাদুজ্জামান সাদ্দাম, তার মা সাজেদা বেগম, বোয়ালমারীর কান্দাকুল গ্রামের আল আমিন মোল্লা এবং বোয়ালমারীর আতিয়ার রহমানকে। এই ঘৃণ্য অপরাধের শিকার হয়ে সনাতনী সমাজ যে রক্তক্ষরণে ভুগছিল, এই গ্রেপ্তারে সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও প্রশ্ন থেকে যায় দেবোত্তর সম্পত্তির সুরক্ষায় মানবাধিকার ও আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে। সকল জাতির ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করাই যেখানে সভ্য সমাজের মূল ভিত্তি, সেখানে মন্দিরে মন্দিরে এই ধরনের হীন আক্রমণ প্রতিরোধে প্রয়োজন আরও কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী কষ্টিপাথর প্রতিমাসহ গ্রেপ্তার ৪ দুষ্কৃতকারী

জয়পুরহাটে ৭৩ লাখ টাকার কষ্টিপাথরের দেবমূর্তি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করা প্রায় ৭৩ লাখ টাকা মূল্যের একটি কষ্টিপাথরের মূর্তিসহ পাচারকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— আক্কেলপুরের হামিদুর রহমান (৬২), জাকির হোসেন (৫০), মুকুল চন্দ্র মন্ডল (৩৮) ও কামাল হোসেন (৬০)।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিজিবি ও এসআরবির যৌথ দল আক্কেলপুরের বিহারপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৭২ কেজি ৯০০ গ্রাম ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার এবং মুকুল চন্দ্র ও কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দেওয়া তথ্যে পরে হামিদুর রহমান ও জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মূর্তি পাচারকারী চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। উদ্ধার করা মূর্তির আনুমানিক বাজারমূল্য ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী জানান, উদ্ধার করা মূর্তি ও গ্রেপ্তারকৃতদের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জয়পুরহাটে ৭৩ লাখ টাকার কষ্টিপাথরের দেবমূর্তি উদ্ধার,  গ্রেপ্তার ৪