তিনি বলেন, শুক্রবার পূজা শেষে রাত ১২টার দিকে পূজারীরা মন্দির ত্যাগ করেন। তারপর কে বা কারা ওই সরস্বতী মূর্তির ঘাড় মটকে মাথা ঝুলিয়ে রাখে।
শনিবার সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে থানায় অবহিত করেন।
খবর পেয়ে মুকসুদপুর সার্কেলের এএসপি নাফিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আবু হাছনাতসহ পুলিশ ও প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য, সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ভাঙচুরের আগে ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা খুলে নেওয়া হয়। এ কারণে ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের এখন পর্যন্ত চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
ওসি মামুন আরও বলেন, “পুলিশ এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে মাঠে নেমেছে। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে অভিযোগ দিতে বলেছি। তারা অভিযোগ দিলেই এ ব্যাপারে মামলা করা হবে।”
মতামত