স্বামী নিরঞ্জনানন্দ পুরী মহারাজ একজন গুপ্ত সাধক ও প্রচারবিমুখ সন্ন্যাসী হিসেবে পরিচিত। অল্পভাষী, বিনয়ী ও অহংকারশূন্য এই মহাত্মার কথাবার্তা ও কণ্ঠস্বরের মধ্যে অনেক ভক্তই অনুভব করেন জগৎগুরু শিবকল্পতরু শ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরী মহারাজের কণ্ঠস্বরের অনুরণন। বাহ্যিক চাকচিক্য বা প্রচারের প্রতি তাঁর কোনো আকর্ষণ নেই।
উল্লেখযোগ্য যে, আধ্যাত্মিক জগতের শিরোমণি শ্রীমৎ স্বামী সুদর্শনানন্দ পুরী মহারাজের জীবদ্দশায় স্বামী নিরঞ্জনানন্দ পুরী মহারাজ সর্বদা তাঁর সান্নিধ্যে অবস্থান করতেন এবং গুরুসেবার মধ্য দিয়েই নিজের সাধনাজীবনকে পরিপূর্ণ করে তুলেছেন।
একজন নির্লোভ, ত্যাগী ও গভীর আধ্যাত্মিক জ্ঞানসম্পন্ন মহাত্মা হিসেবে শ্রীমৎ স্বামী নিরঞ্জনানন্দ পুরী মহারাজ নিরবে সাধনা করে চলেছেন। তাঁর জীবনে নেই কোনো ভোগবিলাস, নেই কোনো বাহ্যিক আড়ম্বর। নিভৃত সাধনাই তাঁর শক্তি ও পরিচয়।
এ বছর শ্রীমৎ স্বামী সুদর্শনানন্দ পুরী মহারাজের অনুপস্থিতিতে, ২২তম আন্তর্জাতিক ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলায় আশির্বাদক ও দিকনির্দেশকের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন শ্রীমৎ স্বামী নিরঞ্জনানন্দ পুরী মহারাজ। তাঁর উপস্থিতি কুম্ভমেলার আধ্যাত্মিক পরিবেশকে আরও গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
কুম্ভমেলায় আগত সকল ভক্ত ও সাধকবৃন্দ শ্রীমৎ স্বামী নিরঞ্জনানন্দ পুরী মহারাজের দর্শন ও কৃপালাভের মাধ্যমে আত্মিক শান্তি ও অনুপ্রেরণা লাভ করবেন এই প্রত্যাশাই সকলের।
মতামত