মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বান্দরবান রাজবাড়ীস্থ প্রার্থীর নিজ বাসভবনে আয়োজিত এই সভায় সনাতনী সমাজের নেতৃবৃন্দের ঢল নামে। ঘরোয়া পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সভায় রাজনৈতিক আলোচনার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় পাহাড়ের মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের বিষয়টি।
ভোটারদের আত্মবিশ্বাস জুগিয়ে রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন: "বান্দরবানে ১৪টি জাতিসত্তার এক অপূর্ব মেলবন্ধন রয়েছে। আমাদের এই সম্প্রীতিই আমাদের শক্তি। রাষ্ট্রীয় পটভূমি যাই হোক না কেন, আমরা পাহাড়ে সবাই মিলেমিশে শান্তিতে থাকব। আপনারা কোনো ভয় না রেখে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।"
তিনি আরও যোগ করেন, বছরে কয়েকবার এভাবে সরাসরি সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হওয়ার সংস্কৃতি তিনি চালু রাখতে চান, যাতে জনগণের প্রকৃত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা যায়।
মতবিনিময় সভায় সাচিং প্রু জেরী পাহাড়ের দীর্ঘদিনের কিছু সংকট নিয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। শুষ্ক মৌসুমে পাহাড়ে সুপেয় পানির তীব্র অভাব দূর করা। শিল্পের বিকাশ ও তরুণদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা করে 'পরিবেশবান্ধব' পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
সভায় সনাতনী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করেন বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের আহ্বায়ক নিখিল দাশ, সদস্য সচিব আনন্দ দাশ, এবং কেন্দ্রীয় দুর্গা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাজেশ্বর দাশ। এছাড়াও বান্দরবান সদরের বিভিন্ন মন্দিরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সর্বস্তরের নারী-পুরুষ সভায় উপস্থিত থেকে প্রার্থীর পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।
মতামত