সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত এক বছরে দেশে ৫২২টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কেবল জানুয়ারি মাসেই ঘটেছে ৪২টি ঘটনা। এসব অব্যাহত ঘটনায় ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠী কেবল ক্ষুব্ধ নয়, স্বদেশে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিতান্তই শঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন।
পরিষদ অভিযোগ করে, এমন পরিস্থিতিতে সরকার, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন কিংবা রাজনৈতিক দল—কেউই তাদের মনে কোনো রূপ আশা ও আস্থা জাগাতে পারছে না।
আসন্ন নির্বাচন ঘিরে সংবাদ সম্মেলন থেকে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরা হয়। উল্লেখযোগ্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা এবং একটি মনিটরিং সেল গঠন করা।
এছাড়া সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় সেনা মোতায়েন এবং ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা গুজবের বিষয়ে কঠোর শাস্তি ও দায়ীদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানানো হয়।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে পরিষদ বলে, নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি যুক্ত করতে হবে।
মতামত