শ্রীমতী তুলসী দেবীকে বন্দনা করার একটি পবিত্র শ্লোক, যা প্রতিদিন সন্ধ্যায় বা জল দেওয়ার সময় পাঠ করা হয়।
ওঁ বৃন্দায়ৈ তুলসী দেব্যৈ প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ।
কৃষ্ণভক্তিপ্রদে দেবি সত্যবত্যৈ নমো নমঃ॥
অর্থ: "হে বৃন্দা (তুলসী দেবী), আপনি ভগবান কেশবের (শ্রীকৃষ্ণের) অত্যন্ত প্রিয়। আপনি কৃষ্ণভক্তি প্রদান করেন। সেই সত্যবতী তুলসী দেবীকে আমি বারবার প্রণাম জানাই।
অন্যদিকে, গোধূলি লগ্নকে হিন্দু দর্শনে একটি সংবেদনশীল সময় হিসেবে ধরা হয়। এই সময়ে প্রদীপের আলো অন্ধকার দূর করার পাশাপাশি ঘর ও আশপাশের পরিবেশ থেকে অশুভ প্রভাব বা নেতিবাচক শক্তি দূর করতে সহায়ক বলে ধর্মীয় ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার ঘটে বলে বিশ্বাস করা হয়।
বাস্তুশাস্ত্রেও তুলসী গাছ ও প্রদীপের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, নিয়মিত তুলসী তলায় প্রদীপ জ্বালালে দারিদ্র্য ও বাধা দূর হয় এবং পরিবারের সদস্যদের মানসিক ও পার্থিব উন্নতি ঘটে। একই সঙ্গে এটি গৃহস্থালিতে এক ধরনের আধ্যাত্মিক সুরক্ষা বলয় তৈরি করে।
এ ছাড়াও প্রদীপের আলো মানুষের মনে প্রশান্তি আনে এবং পরিবেশকে শুদ্ধ ও পবিত্র করে তোলে—এমন ধারণা হিন্দু ধর্মতত্ত্বে সুপ্রতিষ্ঠিত। এ কারণেই ধর্মীয় আচার-অনুশীলনে তুলসী তলায় সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বালানোকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মতামত