পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি সাধুর ছদ্মবেশ ধারণ করে নিজেকে শিবভক্ত পরিচয় দিয়ে শহরের বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন এবং পরে এক হোটেলে কক্ষ ভাড়া নেন।
হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, কক্ষ বুকিংয়ের সময় তিনি নিজের পরিবর্তে সঙ্গে থাকা মহিলার পরিচয়পত্র ব্যবহার করেন। আচরণে অসঙ্গতি লক্ষ্য করে হোটেল কর্মীরা স্থানীয় কয়েকজনকে বিষয়টি জানান। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ধর্মীয় পরিচয় গোপন করা, ভুয়া তথ্য প্রদান, পরিচয়পত্রের অপব্যবহারসহ একাধিক ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে।
হোটেলে থাকা মহিলার বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেন, অভিযুক্তের প্রকৃত ধর্মীয় পরিচয় সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কিছু নেটিজেন এটিকে পরিকল্পিত প্রতারণা বলে আখ্যা দিচ্ছেন।
তারা বলছেন, পরিকল্পিত ভাবে লাভ জিহাদ ঘটাতে এমন কাজ করেছে ঐ যুবক।
অনেকে ঐ যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এবং এসব চক্র থেকে হিন্দু মহিলাদের রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
মতামত