পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও পরীক্ষা শেষে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া এই রাধা-কৃষ্ণ বিগ্রহটি মহামূল্যবান কষ্টিপাথরের তৈরি, যার ওজন প্রায় ৭ কেজি। প্রত্নতাত্ত্বিক বিচারে বিগ্রহটি কয়েকশ বছরের পুরনো এবং এর আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিগ্রহটির সূক্ষ্ম কারুকাজ ও গঠনশৈলী দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটি কোনো প্রাচীন মন্দিরের অংশ ছিল, যা কোনো দুর্যোগ বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরে পুকুরের তলদেশে সংরক্ষিত ছিল।
মহাদেবপুর থানার একজন পদস্থ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক এই বিগ্রহটি উদ্ধার পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এটি কীভাবে ওই স্থানে এলো বা এর সাথে অন্য কোনো পাচারচক্রের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বর্তমানে বিগ্রহটি প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী তা প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এদিকে প্রাচীন এই দেব-বিগ্রহ উদ্ধারের খবর শোনার পর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে; অনেকেই বিষয়টিকে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের দৃষ্টিতে দেখছেন।
মতামত