পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে অজ্ঞাতবাসে থাকা নিদার এই জামিনের আবেদনকে তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার একটি অপচেষ্টা হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একদিকে যখন হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেধাবী তরুণ-তরুণীদের ক্যারিয়ার নষ্ট করে তাদের ধর্মচ্যুত করার ছক কষা হচ্ছিল, তখন অপরাধ ধরা পড়ার পর শারীরিক অসুস্থতার অজুহাত দেওয়াকে স্রেফ নাটক বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। উল্লেখ্য যে, নাসিকের এই ঘটনায় জড়িত বাকি অপরাধীদের ধরতেও চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এখন দেখার বিষয়, ধর্ম ও কর্মক্ষেত্রের পবিত্রতা নষ্টের দায়ে অভিযুক্ত এই নারীর আবেদনে আদালত সাড়া দেয় নাকি কর্পোরেট জেহাদ দমনে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ দেয়।
ধর্মান্তরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত নিদা খানের কৌশল: গ্রেফতারি এড়াতে এবার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অজুহাত
নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসে (টিসিএস) সুপরিকল্পিত ধর্মান্তরণ ও 'কর্পোরেট জেহাদ' পরিচালনার অন্যতম কারিগর নিদা খান গ্রেফতারি এড়াতে এবার মাতৃত্বের ঢাল ব্যবহার করছেন। দীর্ঘ দিন ধরে পলাতক থাকার পর জনৈক আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। আবেদনে নিজেকে অন্তঃসত্ত্বা এবং শারীরিক ভাবে অসুস্থ দাবি করে মানবিকতার খাতিরে জামিন চেয়েছেন এই অভিযুক্ত। তবে একটি প্রথম সারির আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় চাকুরির আড়ালে সনাতনী যুবক-যুবতীদের মগজধোলাই করে ধর্মান্তরিত করার মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্তের এই কৌশল নিয়ে ইতিমধেই নানা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
তদন্তকারী সূত্রের দাবি, নিদা খান দাপ্তরিক ভাবে টিসিএস-এ একজন সাধারণ টেলিকলার হিসেবে যোগদান করলেও পর্দার আড়ালে তিনি অত্যন্ত কৌশলে এইচআর (HR) প্রধানের ভূমিকা পালন করতেন। এই পদের প্রভাব খাটিয়ে তিনি হিন্দু কর্মচারীদের নিশানা করতেন এবং একটি নির্দিষ্ট চক্রের হয়ে পরিকল্পিত ভাবে ধর্মান্তরণ কার্যক্রম চালাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন এই ঘটনাকে ‘কর্পোরেট জেহাদ’ হিসেবে চিহ্নিত করে কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, পেশাদার কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের ধর্মীয় উগ্রবাদী কার্যকলাপ ভারতের মতো বাংলাদেশেও সনাতনী সমাজের জন্য এক অশনি সংকেত।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত