অভিযোগ উঠেছে যে, চন্দ্রনাথ ধামের বর্তমান অব্যবস্থাপনা ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই এই ঐতিহাসিক গেটটি আজ বিলুপ্তপ্রায়। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় ও তীর্থযাত্রীদের মতে, এই গেটটি যতদিন অক্ষত ছিল, ততদিন ধামের ভেতরে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ বা অপব্যবহার তেমন একটা চোখে পড়ত না। তোরণটি পাহাড়ের পবিত্রতা রক্ষায় একটি অদৃশ্য ঢালের মতো কাজ করত। কিন্তু গেটটি ভেঙে ফেলার পর থেকেই পবিত্র এই তীর্থস্থানের দৃশ্যপট বদলে গেছে। এখন সেখানে নানাবিধ অপব্যবহার এবং অনিয়মের অভিযোগ নিয়মিত শোনা যাচ্ছে, যা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হানছে।
একটি ঐতিহ্যবাহী তীর্থস্থানের নিরাপত্তা এবং মর্যাদা বজায় রাখতে এই গেটটির প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সনাতন ঐতিহ্য রক্ষায় নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের এই পবিত্র ধামে এমন ঐতিহাসিক অবহেলা কেন? কেন একজন দানবীরের অক্ষয় কীর্তিকে এভাবে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হলো? ঐতিহ্য সচেতন মানুষ আজ মনে করেন, যদি এখনই যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে আগামী প্রজন্ম চন্দ্রনাথ ধামের প্রকৃত ইতিহাস ভুলে যাবে। তাই ধামের পবিত্রতা রক্ষা এবং শ্রী রণবীর পাল চৌধুরীর স্মৃতি অমলিন রাখতে অতি দ্রুত এই প্রবেশদ্বারটি পূর্বের মহিমায় পুনর্নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।
মতামত