বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের সমরসিং গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক হিন্দু কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, দীপান্বিতা সরকার নামে ওই হিন্দু কিশোরী, যার জন্মতারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮, তাকে জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা হয় এবং পরবর্তীতে তার নাম পরিবর্তন করে তাবাসসুম আক্তার নূর রাখা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তার সঙ্গে মো. রিতাজ নামের এক যুবকের বিয়ের কথাও উল্লেখ রয়েছে একটি হলফনামায়।


ওই নথিতে কিশোরী নিজেকে প্রাপ্তবয়স্ক দাবি করে স্বেচ্ছায় ধর্মান্তরিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, এসবই চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে করানো হয়েছে এবং প্রকৃত ঘটনা ভিন্ন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরীর পরিবার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে। এলাকাবাসীর একটি অংশও ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে।
এদিকে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে কোনো মেয়ের বিয়ে অবৈধ। এছাড়া জোরপূর্বক ধর্মান্তর বা বিবাহের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সনাতনী নেটিজেনরা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বিষয়টির সঠিক তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন এবং এ ঘটনায় জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন।
মতামত