শুক্রবার (১ মে ২০২৬) রাজধানীর ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশন প্রাঙ্গণে রামকৃষ্ণ মিশন-এর ১৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকে মিশন প্রাঙ্গণে পূজা, প্রার্থনা, ধর্মীয় পাঠ এবং বিভিন্ন আধ্যাত্মিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মিশনের অধ্যক্ষ ও সম্পাদক স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষকে ঈশ্বরজ্ঞানে দেখা এবং মানবসেবার মাধ্যমে সেই আদর্শ বাস্তবায়নই রামকৃষ্ণ মিশনের মূল দর্শন। তিনি বলেন, “মানবসেবাই প্রকৃত ধর্ম,” যা সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে এখানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত প্রত্যক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে এবং রাষ্ট্র সেই অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, কোনো ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর আঘাত এলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার-এর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের পরিচালক অ্যান মেরি জর্জসহ ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
আয়োজনটি ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মতামত