নারায়ণ বাবুর বিবাহের খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ভাঙ্গা বাজারসহ তার পরিচিত মহলে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের একক জীবন কাটিয়ে অবশেষে জীবনের উত্তরসূরি খুঁজে নেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিনন্দনের জোয়ার বইছে। নবদম্পতির আগামীর দিনগুলো যেন সুখ, সমৃদ্ধি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধায় ভরে ওঠে, সেজন্য মন্দিরে মন্দিরে শুভকামনা ও আশীর্বাদ জানিয়েছেন তার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও অগণিত শুভাকাঙ্ক্ষী। নারায়ণ বাবু ও শিপ্রা ঘোষের এই নতুন পথচলা স্থানীয় সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিজ্ঞা ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে ভাঙ্গার নারায়ণ বাবু: নতুন জীবনে অনুপ্রেরণা
সংসার সুখী হয় রমণীর গুণে’—প্রচলিত এই প্রবাদটিকে সত্য প্রমাণ করতেই যেন দীর্ঘদিনের অটুট প্রতিজ্ঞা ভেঙে শেষমেশ দাম্পত্য জীবনে পদার্পণ করলেন ফরিদপুরের ভাঙ্গার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সর্বজনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নারায়ণ বাবু। এক সময় ‘বিয়ে করবেন না’ বলে যে কঠোর সংকল্প তিনি করেছিলেন, সময়ের পরিক্রমায় সনাতনী রীতিনীতি আর মাঙ্গলিক আবহে সেই সিদ্ধান্তকে বিদায় জানিয়ে তিনি এখন নবজীবনের যাত্রী।
গত বৃহস্পতিবার ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদাহ ইউনিয়নের সুযোগ্য কন্যা শিপ্রা ঘোষের সঙ্গে এক মাহেন্দ্রক্ষণে শুভ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। শাস্ত্রীয় নিয়ম ও বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে এই বিবাহ সুসম্পন্ন হয়। নারায়ণ বাবুর এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে। বিশেষ করে এলাকার অবিবাহিত যুবকদের কাছে এটি একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা দিচ্ছে; অনেকে মনে করছেন, নারায়ণ বাবুর এই সাহসিকতা তাদের ঘর বাঁধার স্বপ্নকে নতুন করে প্রাণ দেবে।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত