স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একদল যুবক ওই এলাকায় নিয়মিতভাবে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে আসছে, যার ফলে ধর্মপ্রাণ মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পবিত্র শ্মশানঘাট ও মন্দির এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক সেবন, জুয়া এবং অশালীন কর্মকাণ্ডের কারণে নারী, শিশু ও সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ধর্মীয় পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক শৃঙ্খলাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক সনাতনী নাগরিক।
নেটিজেনদের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, “ধর্মীয় স্থানে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান পদক্ষেপ কোথায়?” আবার অনেকে লিখেছেন, “যদি অন্য কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ে এমন ঘটনা ঘটত, তাহলে এতক্ষণে মামলা ও গ্রেপ্তার হয়ে যেত।” কেউ কেউ এটিকে সরাসরি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ধর্ম অবমাননার শামিল বলেও মন্তব্য করেছেন।
স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায় অবিলম্বে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মন্দির ও শ্মশানঘাট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
মতামত