প্রবন্ধে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, তৈত্তিরীয় আরণ্যক, মহাভারত, রামায়ণ, বিষ্ণুপুরাণ, শ্রীমদ্ভাগবত, শ্রীচণ্ডী ও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করা হয় যে, ‘নমস্কার’ কেবল একটি সম্ভাষণ নয়; এটি শ্রদ্ধা, বিনয় এবং পরমেশ্বরের প্রতি আত্মসমর্পণের প্রতীক। বিভিন্ন শাস্ত্রে ‘নমঃ’ ও ‘নমস্কার’ শব্দের ব্যাপক ব্যবহার এবং এর আধ্যাত্মিক গুরুত্বের উল্লেখ পাওয়া যায়।
লেখকের মতে, নমস্কার কোনো ব্যক্তি বা দেহকে উদ্দেশ্য করে নয়; বরং প্রত্যেক জীবের অন্তর্নিহিত পরমাত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের বহিঃপ্রকাশ। এ কারণে শিশু, যুবক, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ কিংবা ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ—সকলকেই নমস্কার জানানো যায়।
প্রবন্ধে আরও বলা হয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিসরে অনেকেই নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশে সংকোচবোধ করে ‘নমস্কার’ ব্যবহারে দ্বিধা করেন। এই মানসিকতা পরিহার করে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে নমস্কারের চর্চা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
লেখকের অভিমত, বৈদিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ‘নমস্কার’কে পুনরুজ্জীবিত করা গেলে তা সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করবে।
মতামত