নিহত রবিন হাওলাদার উত্তর কালাইয়া গ্রামের বাসিন্দা। আহতরা হলেন তার স্ত্রী ঠাকুর রানী হাওলাদার (৪৫), ছেলে রনি হাওলাদার (২২) ও হৃদয় হাওলাদার (২৪)। তাদের বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের স্বজনদের দাবি, বাড়ির উঠানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য একই বাড়ির সাতটি পরিবারের সদস্যরা একটি প্লাস্টিকের পাইপ বসানোর সিদ্ধান্ত নেন। পাইপ কেনা ও স্থাপনের ব্যয় যৌথভাবে বহনের কথা থাকলেও এ বিষয়ে আপত্তি জানায় একই বাড়ির আনন্দ বেপারির পরিবার। এ নিয়ে বুধবার সকালে রবিন হাওলাদার ও আনন্দ বেপারির মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে বিরোধের জেরে রতন বেপারির নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রবিন হাওলাদারের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার স্ত্রী ও দুই ছেলেকেও মারধর করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিন হাওলাদারকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রতন বেপাড়ি (৩২), প্রদীপ বেপাড়ি (২৭), আনন্দ বেপাড়ি (৬০) ও সুশীলা বেপাড়ি (৫০)।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মতামত