(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') হৃদয়বিদারক এই ঘটনাটি ঘটেছিল গত শনিবার (১৩ জুন) রাতে আনোয়ারা উপজেলার চেনামতি বড়ুয়া পাড়ায়। সেদিন রাতে স্থানীয় সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তাঁর ১৬ বছর বয়সী একমাত্র কন্যা প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্বজন রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়া তেজুকে গ্রেফতার করে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক তেজু জানায়, অটোরিকশা কেনার জন্য সে সুজন বড়ুয়ার কাছ থেকে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল, যা প্রতি মাসে সুদসহ কিস্তিতে পরিশোধের কথা ছিল। এই সংক্রান্ত একটি চুক্তি বা হলফনামা সুজন বড়ুয়ার ঘরেই রাখা ছিল। কিন্তু নিয়মিত টাকা শোধ না করায় তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
মূলত ওই ঋণের হলফনামাটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই ঘটনার রাতে সুজনের বাড়িতে হানা দেয় তেজপ্রিয়। ঘরে থাকা মা ও মেয়ে এতে বাধা দিলে ঘাতক ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগমুহূর্তে প্রতিবেশীদের করা একটি মোবাইল ভিডিওতে খুনি তেজুর নাম স্পষ্টভাবে বলে গিয়েছিলেন মা এনি বড়ুয়া, যা এই মামলার অন্যতম প্রধান ও অকাট্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মা-মেয়ের এমন করুণ পরিণতিতে পুরো এলাকায় এখনও শোক ও ক্ষোভের আবহ বিরাজ করছে।
মতামত