হিন্দুস নিউজ

আনোয়ারার আলোড়ন সৃষ্টিকারী খুনের মামলার তদন্ত সম্পন্ন


| প্রিন্ট সংস্করণ

আনোয়ারার আলোড়ন সৃষ্টিকারী খুনের মামলার তদন্ত সম্পন্ন
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আলোড়ন সৃষ্টিকারী মা-মেয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ দিনের মাথায় আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে জেলা পুলিশ। গত বুধবার (২৪ জুন) একমাত্র আসামি রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়া তেজুর বিরুদ্ধে এই অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়, যা দেশের বিচারিক ইতিহাসে দ্রুততম তদন্তের অন্যতম একটি নজির। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সনাতনী সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের মানবাধিকার রক্ষা এবং অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে যখন চারদিক উত্তাল, তখন প্রশাসনের এমন তৎপরতা আইনশৃঙ্খলার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা জোগাবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।


​জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল এই দ্রুততম তদন্তের বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটির সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মাত্র ১২ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে চারজন পুলিশ সদস্যসহ মোট ২২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দিয়েছে। ফলে তাকেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে।

​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') ​হৃদয়বিদারক এই ঘটনাটি ঘটেছিল গত শনিবার (১৩ জুন) রাতে আনোয়ারা উপজেলার চেনামতি বড়ুয়া পাড়ায়। সেদিন রাতে স্থানীয় সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তাঁর ১৬ বছর বয়সী একমাত্র কন্যা প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্বজন রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়া তেজুকে গ্রেফতার করে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক তেজু জানায়, অটোরিকশা কেনার জন্য সে সুজন বড়ুয়ার কাছ থেকে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল, যা প্রতি মাসে সুদসহ কিস্তিতে পরিশোধের কথা ছিল। এই সংক্রান্ত একটি চুক্তি বা হলফনামা সুজন বড়ুয়ার ঘরেই রাখা ছিল। কিন্তু নিয়মিত টাকা শোধ না করায় তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

 মূলত ওই ঋণের হলফনামাটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই ঘটনার রাতে সুজনের বাড়িতে হানা দেয় তেজপ্রিয়। ঘরে থাকা মা ও মেয়ে এতে বাধা দিলে ঘাতক ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগমুহূর্তে প্রতিবেশীদের করা একটি মোবাইল ভিডিওতে খুনি তেজুর নাম স্পষ্টভাবে বলে গিয়েছিলেন মা এনি বড়ুয়া, যা এই মামলার অন্যতম প্রধান ও অকাট্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মা-মেয়ের এমন করুণ পরিণতিতে পুরো এলাকায় এখনও শোক ও ক্ষোভের আবহ বিরাজ করছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

হিন্দুস নিউজ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আনোয়ারার আলোড়ন সৃষ্টিকারী খুনের মামলার তদন্ত সম্পন্ন

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬

featured Image
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আলোড়ন সৃষ্টিকারী মা-মেয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ দিনের মাথায় আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে জেলা পুলিশ। গত বুধবার (২৪ জুন) একমাত্র আসামি রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়া তেজুর বিরুদ্ধে এই অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়, যা দেশের বিচারিক ইতিহাসে দ্রুততম তদন্তের অন্যতম একটি নজির। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সনাতনী সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের মানবাধিকার রক্ষা এবং অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে যখন চারদিক উত্তাল, তখন প্রশাসনের এমন তৎপরতা আইনশৃঙ্খলার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা জোগাবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।


​জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল এই দ্রুততম তদন্তের বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটির সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মাত্র ১২ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে চারজন পুলিশ সদস্যসহ মোট ২২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দিয়েছে। ফলে তাকেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে।

​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') ​হৃদয়বিদারক এই ঘটনাটি ঘটেছিল গত শনিবার (১৩ জুন) রাতে আনোয়ারা উপজেলার চেনামতি বড়ুয়া পাড়ায়। সেদিন রাতে স্থানীয় সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তাঁর ১৬ বছর বয়সী একমাত্র কন্যা প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্বজন রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়া তেজুকে গ্রেফতার করে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক তেজু জানায়, অটোরিকশা কেনার জন্য সে সুজন বড়ুয়ার কাছ থেকে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল, যা প্রতি মাসে সুদসহ কিস্তিতে পরিশোধের কথা ছিল। এই সংক্রান্ত একটি চুক্তি বা হলফনামা সুজন বড়ুয়ার ঘরেই রাখা ছিল। কিন্তু নিয়মিত টাকা শোধ না করায় তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

 মূলত ওই ঋণের হলফনামাটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই ঘটনার রাতে সুজনের বাড়িতে হানা দেয় তেজপ্রিয়। ঘরে থাকা মা ও মেয়ে এতে বাধা দিলে ঘাতক ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগমুহূর্তে প্রতিবেশীদের করা একটি মোবাইল ভিডিওতে খুনি তেজুর নাম স্পষ্টভাবে বলে গিয়েছিলেন মা এনি বড়ুয়া, যা এই মামলার অন্যতম প্রধান ও অকাট্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মা-মেয়ের এমন করুণ পরিণতিতে পুরো এলাকায় এখনও শোক ও ক্ষোভের আবহ বিরাজ করছে।


হিন্দুস নিউজ

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে
HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news
আনোয়ারার আলোড়ন সৃষ্টিকারী খুনের মামলার তদন্ত সম্পন্ন
0:00 0:00
1.0x