(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
ক্যাম্পাসের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো এবং মানবাধিকার কর্মীদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই পুরো ঘটনাটি একটি সুদূরপ্রসারী মাস্টারপ্ল্যানের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, মুষ্টিমেয় কিছু সংখ্যক ব্যক্তির একটি সুপরিকল্পিত মানববন্ধন এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহলের লাগাতার চাপের মুখেই এমন একজন দক্ষ ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকের দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ার ও সম্মান ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসে সনাতনী সম্প্রদায়ের এবং অন্যান্য ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার একশ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তকে রহস্যজনক ও বৈষম্যমূলক বলে মনে করছেন। যথাযথ স্বচ্ছ তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের সুযোগ ছাড়াই স্রেফ চাপের মুখে এমন চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া বিশ্ববিদ্যায়ের সুস্থ ধারার শিক্ষাপরিবেশের ওপর বড় ধরণের আঘাত বলে তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসে ভিন্ন মতাবলম্বী বা সংখ্যালঘুদের কোণঠাসা করার একটি অপকৌশল হিসেবেও এই ঘটনাকে দেখা যেতে পারে।
মতামত