সম্প্রতি একটি জনসভায় বা দলীয় কর্মসূচিতে দেওয়া তাঁর এই বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
বক্তব্য চলাকালীন জিন্নাহ কবির সরাসরি উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন, "সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যদি ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়যুক্ত না করে এবং দেশ পরিচালনার সুযোগ না দেয়, তবে আগামীতে তাদের আর এই দেশে থাকতে দেওয়া হবে না।"
তাঁর এই মন্তব্যকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী এবং সংবিধান পরিপন্থী হিসেবে দেখছেন বিশ্লষকরা। সাধারণ নাগরিক ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতারা এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, গণতান্ত্রিক দেশে ভোট দেওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার। ভোটের দোহাই দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে দেশত্যাগের হুমকি দেওয়া চরম অপরাধের শামিল।
এদিকে, জিন্নাহ কবিরের এই ব্যক্তিগত মন্তব্যের বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই এই নেতার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
মানবাধিকার কর্মীদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য দেশে ধর্মীয় মেরুকরণ তৈরি করতে পারে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মনে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করতে পারে। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ধর্মীয় কার্ড ব্যবহার করা থেকে রাজনৈতিক নেতাদের বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
বাংলাদেশ হিন্দু হুমকি
মতামত