মনোনয়ন ও বৈধতা:
জাকের পার্টির চেয়ারম্যান পীরজাদা মোস্তফা আমীর ফয়সল মুজাদ্দেদীর নির্দেশে এই আসনে রঘুনাথ চন্দ্র রায়কে দলীয় প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। নির্বাচনী বিধি অনুসরণ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে ২ জানুয়ারি ২০২৬ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন।
প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচারণার অবস্থান:
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২১ জানুয়ারি ২০২৬ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এখনো আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়নি। প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ও সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময় থেকেই সকল প্রার্থী আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করবেন।
অভিজ্ঞতা ও পরিচিতি:
রঘুনাথ চন্দ্র রায় কাহারোল উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিত।
তিনি মৃত কান্দুরা চন্দ্র রায়-এর সন্তান। তাঁর বাড়ি দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার রামপুর গ্রামে। ডাকঘর— রামপুর-৫২২০।
রাজনৈতিক দর্শন ও প্রত্যাশা:
জাকের পার্টির আদর্শ— শান্তি, সম্প্রীতি ও আর্তমানবতার সেবা—এই দর্শনকে সামনে রেখে রঘুনাথ চন্দ্র রায় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন,
“আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নই আমার রাজনীতির লক্ষ্য।”
নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন,
“দিনাজপুর-১ আসনের মানুষ এমন একজন প্রতিনিধিকে সংসদে দেখতে চায় যিনি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন।”
ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই দিনাজপুর-১ আসনে নির্বাচনী আমেজ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। প্রতীক বরাদ্দের অপেক্ষায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে জাকের পার্টির ‘গোলাপ ফুল’ প্রতীক নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে নজর কেড়েছে।
মতামত