জানা গেছে, তারা হিসাবরক্ষককে ৬০০ টাকা প্রদান করে মন্দিরের নির্ধারিত কক্ষে রাত্রিযাপন করেন। আজ ১৪ জানুয়ারি, বুধবার সকাল ৭ ঘটিকায় তারা কক্ষ থেকে বের হয়ে পূজা ও আদিনাথ দর্শন সম্পন্ন করেন। এরপর নিজ কক্ষ থেকে ব্যাগপত্র নিতে গেলে তারা দেখতে পান, যাত্রী নিবাসের মেইন গেইটে তালা ঝুলছে।
বিষয়টি জানাতে গেলে মন্দিরের অন্যান্য কর্মচারীরা তাদের জানান “হিসাবরক্ষক চাবি নিয়ে গেছে।” ফলে তিনজন দর্শনার্থী কোনো উপায় না পেয়ে দীর্ঘ সময় মন্দির প্রাঙ্গণে অপেক্ষা করতে বাধ্য হন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অবশেষে দুপুর প্রায় ২ ঘটিকার দিকে তারা নিজেদের ব্যাগ নিতে পারেন। এ সময় মন্দিরের হিসাবরক্ষক তাদের সঙ্গে উগ্র ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা অশ্রুসিক্ত নয়নে HINDUS NEWS কে বলেন, “এত দূর থেকে মন্দিরে এসেছিলাম মনে শান্তি নিয়ে ফিরব ভেবে। কিন্তু এভাবে হেনস্থার শিকার হয়ে বুকভরা দুঃখ নিয়ে ফিরতে হবে তা কখনো ভাবিনি। যদি জানতাম এমন হবে, তাহলে এত পথ পাড়ি দিয়ে আসতাম না। এখানে কাকে বলবো? কে শুনবে আমাদের কথা?”
এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের আচরণ আদিনাথ মন্দিরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এবং পুরো এলাকার সুনাম নষ্ট করছে। তারা বলেন, একজন ব্যক্তির দায়িত্বহীন আচরণের কারণে কোনো পবিত্র তীর্থস্থানের সম্মান ক্ষুণ্ন হতে দেওয়া যায় না। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে দর্শনার্থীরা ধীরে ধীরে মন্দিরে আসার আগ্রহ হারাবে।
স্থানীয়দের দাবি, সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটি যেন দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সাবধান করে এবং মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের সঙ্গে অতিথিসুলভ ও সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করে।
মতামত