শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
হিন্দুস নিউজ
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

গঙ্গাসাগরে এবার দেখা মিলবে রাধা-কৃষ্ণের, ২০২৭ সালের মধ্যেই ভক্তদের জন্য খুলছে বিশাল ইসকন মন্দির



গঙ্গাসাগরে এবার দেখা মিলবে রাধা-কৃষ্ণের, ২০২৭ সালের মধ্যেই ভক্তদের জন্য খুলছে বিশাল ইসকন মন্দির
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।
গঙ্গাসাগর তীর্থে আগত পুণ্যার্থীদের জন্য এক দারুণ সুখবর। এবার সাগরদ্বীপে কপিল মুনির আশ্রম দর্শনের পাশাপাশি ভক্তরা সুযোগ পাবেন শ্রীরাধা-কৃষ্ণের আরাধনার। সব ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের মধ্যেই গঙ্গাসাগরে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ বা ইসকন-এর (ISKCON) নবনির্মিত এই মন্দির।


প্রকল্পের বিবরণ:

গঙ্গাসাগরের পবিত্র ভূমিতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে গড়ে উঠছে এই মন্দির। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টার পর এখন পুরোদমে চলছে নির্মাণ কাজ। মন্দিরটি আধুনিক স্থাপত্য ও সনাতন সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন হতে চলেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে মন্দিরের মূল কাঠামোর কাজ শেষ করে তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

কী কী থাকছে এই মন্দিরে?

Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

ইসকন সূত্রে খবর, এই প্রকল্পটিতে কেবল মন্দিরই নয়, ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে:

১. সুদৃশ্য মূল মন্দির: যেখানে রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত হবে।

২. ভক্তিনিবাস বা গেস্ট হাউস: দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটক ও পুণ্যার্থীদের থাকার জন্য উন্নত মানের গেস্ট হাউস তৈরি করা হচ্ছে।

৩. অন্নক্ষেত্র: প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্তের প্রসাদ পাওয়ার সুব্যবস্থা থাকবে এখানে।

৪. আধ্যাত্মিক পরিবেশ: মন্দিরের চারপাশে সাজানো বাগান এবং সংকীর্তনের জন্য বিশেষ হলের ব্যবস্থা থাকবে।

পর্যটনে নতুন মাত্রা:

প্রতি বছর মকর সংক্রান্তির সময় দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান করতে আসেন। এছাড়া সারা বছরই পর্যটকদের আনাগোনা থাকে। ইসকনের এই নতুন মন্দিরটি চালু হলে গঙ্গাসাগরের পর্যটন ও ধর্মীয় গুরুত্ব আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারাও এই উদ্যোগে অত্যন্ত খুশি, কারণ এতে এলাকার অর্থনৈতিক মানচিত্রের উন্নতি ঘটবে।

ইসকনের বার্তা:

এই বিষয়ে ইসকন কর্তৃপক্ষের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, "গঙ্গাসাগর হিন্দুধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। এখানে আগত ভক্তদের সেবার সুযোগ পাওয়া আমাদের পরম সৌভাগ্য। ২০২৭-এর মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যে আমাদের কর্মীরা দিনরাত কাজ করছেন। আমরা চাই এখানে এসে ভক্তরা যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি লাভ করেন।"

এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। ২০২৭ সালে গঙ্গাসাগর মেলায় আসা পুণ্যার্থীদের জন্য এই মন্দিরটি এক নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

হিন্দুস নিউজ

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


গঙ্গাসাগরে এবার দেখা মিলবে রাধা-কৃষ্ণের, ২০২৭ সালের মধ্যেই ভক্তদের জন্য খুলছে বিশাল ইসকন মন্দির

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
গঙ্গাসাগর তীর্থে আগত পুণ্যার্থীদের জন্য এক দারুণ সুখবর। এবার সাগরদ্বীপে কপিল মুনির আশ্রম দর্শনের পাশাপাশি ভক্তরা সুযোগ পাবেন শ্রীরাধা-কৃষ্ণের আরাধনার। সব ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের মধ্যেই গঙ্গাসাগরে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ বা ইসকন-এর (ISKCON) নবনির্মিত এই মন্দির।


প্রকল্পের বিবরণ:

গঙ্গাসাগরের পবিত্র ভূমিতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে গড়ে উঠছে এই মন্দির। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টার পর এখন পুরোদমে চলছে নির্মাণ কাজ। মন্দিরটি আধুনিক স্থাপত্য ও সনাতন সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন হতে চলেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে মন্দিরের মূল কাঠামোর কাজ শেষ করে তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

কী কী থাকছে এই মন্দিরে?

ইসকন সূত্রে খবর, এই প্রকল্পটিতে কেবল মন্দিরই নয়, ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে:

১. সুদৃশ্য মূল মন্দির: যেখানে রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত হবে।

২. ভক্তিনিবাস বা গেস্ট হাউস: দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটক ও পুণ্যার্থীদের থাকার জন্য উন্নত মানের গেস্ট হাউস তৈরি করা হচ্ছে।

৩. অন্নক্ষেত্র: প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্তের প্রসাদ পাওয়ার সুব্যবস্থা থাকবে এখানে।

৪. আধ্যাত্মিক পরিবেশ: মন্দিরের চারপাশে সাজানো বাগান এবং সংকীর্তনের জন্য বিশেষ হলের ব্যবস্থা থাকবে।

পর্যটনে নতুন মাত্রা:

প্রতি বছর মকর সংক্রান্তির সময় দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান করতে আসেন। এছাড়া সারা বছরই পর্যটকদের আনাগোনা থাকে। ইসকনের এই নতুন মন্দিরটি চালু হলে গঙ্গাসাগরের পর্যটন ও ধর্মীয় গুরুত্ব আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারাও এই উদ্যোগে অত্যন্ত খুশি, কারণ এতে এলাকার অর্থনৈতিক মানচিত্রের উন্নতি ঘটবে।

ইসকনের বার্তা:

এই বিষয়ে ইসকন কর্তৃপক্ষের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, "গঙ্গাসাগর হিন্দুধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। এখানে আগত ভক্তদের সেবার সুযোগ পাওয়া আমাদের পরম সৌভাগ্য। ২০২৭-এর মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যে আমাদের কর্মীরা দিনরাত কাজ করছেন। আমরা চাই এখানে এসে ভক্তরা যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি লাভ করেন।"

এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। ২০২৭ সালে গঙ্গাসাগর মেলায় আসা পুণ্যার্থীদের জন্য এই মন্দিরটি এক নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।


হিন্দুস নিউজ

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে
HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news
গঙ্গাসাগরে এবার দেখা মিলবে রাধা-কৃষ্ণের, ২০২৭ সালের মধ্যেই ভক্তদের জন্য খুলছে বিশাল ইসকন মন্দির
0:00 0:00
1.0x