তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
সফরকালে মুম্বাইতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ম্যাক্রোঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠককে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণেই একই দিনে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মোদির উপস্থিত থাকা সম্ভব হচ্ছে না।
ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হলেও সময়সূচির সীমাবদ্ধতার কারণে মোদি শপথ অনুষ্ঠানে সরাসরি যোগ দিতে পারছেন না।
তবে ভারতের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের কোনো প্রতিনিধি দল ঢাকায় উপস্থিত থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এ উপলক্ষে প্রতিবেশী দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদির অনুপস্থিতি সত্ত্বেও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। বরং ভবিষ্যতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আলাদা সময়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মতামত