১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্রীশ্রী রাস বিহারী ধাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত, গত ২০২৫ সালের শ্রী শ্রী রাস মহোৎসবের আয়-ব্যয়ের চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করেছে। ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে আয়-ব্যয়ের এই হিসাবটি সম্পন্ন করা হয়, যা উক্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।
মোট আয় ও ব্যয়: প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীশ্রী রাস মহোৎসবের জন্য মোট আয় হয়েছে ২২,৯০,৫৭৯ টাকা এবং মোট ব্যয় ছিল ১৯,৬১,৯০০ টাকা। এর ফলে আয়োজনে উদ্বৃত্ত হিসেবে ৩২৮,৬৭৯ টাকা প্রাপ্ত হয়েছে, যা ভবিষ্যতের কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।
এছাড়াও, আয়-ব্যয়ের দিক থেকে সবক্ষেত্রেই বিস্তারিত হিসাব প্রদান করা হয়েছে, যাতে অংশগ্রহণকারী ভক্তবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রতিটি খাতের ব্যয় সম্পর্কে পূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
মহা প্রসাদ খাতে মোট ব্যয় হয়েছে ৯৬২,৪৯৫ টাকা, যা অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজনে ব্যবহৃত হয়েছে। মন্দিরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য ব্যয় হয়েছে ১০১,৬০০ টাকা। এই বছর কীর্তনীয়া দলের জন্য ২৯৩,০০০ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের আওতায় মাইক ও সাউন্ড সিস্টেমের খাতে ব্যয় হয়েছে ৩৭,৫০০ টাকা। ধর্মসভা, কীর্তন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য মোট ব্যয় ছিল ৬৮,০০০ টাকা। উৎসব চলাকালীন শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাবদ ব্যয় হয়েছে ৬৪,৪০০ টাকা। প্রেস, প্রচার এবং মিটিং খরচ বাবদ ব্যয় হয়েছে যথাক্রমে ৪৯,০০০ টাকা এবং ২৮,০০ টাকা।


এই আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে শ্রীশ্রী রাস বিহারী ধাম-এর মন্দির পরিচালনা পরিষদ পরিষ্কারভাবে তাদের আয়-ব্যয়ের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছে। এতে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভক্তবৃন্দের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরো দৃঢ় হয়েছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রী নির্মল কান্তি চৌধুরী, সভাপতি এবং অরুন কান্তি চৌধুরী, কার্যকরী সভাপতি এই প্রতিবেদনটি সবার কাছে তুলে ধরেন এবং উল্লেখ করেন যে, আগামীতেও এই ধরনের স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। অনুষ্ঠানে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন স্থানের ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠান শেষে সবার মাঝে প্রসাদ বিতরন করা হয়।
মতামত