সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের জীবনে জন্ম, মৃত্যু ও বিয়ে—এই তিনটি অধ্যায় চিরকাল বৈদিক মন্ত্র ও ধর্মীয় আচার–অনুষ্ঠানের সাথে গভীরভাবে জড়িত। প্রতিটি শুভ কাজের সূচনা ও সমাপ্তি স্রষ্টাকে সাক্ষী রেখে সম্পন্ন করা সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য।
তিনি বলেন, বর্তমানে অনেকেই বিয়ের অনুষ্ঠান ক্লাব বা বিভিন্ন হলরুমে আয়োজন করছেন। কিন্তু এসব স্থানে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে একই রান্নাঘরে বিভিন্ন ধরনের খাবার রান্না করা হয়, যা ধর্মীয় পবিত্রতার প্রশ্ন তুলতে পারে। এমন পরিবেশে নারায়ণ শীলা পূজা, যজ্ঞ বা বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ কতটা পবিত্রতার সাথে সম্পন্ন হয়—এ বিষয়ে সনাতনী সমাজকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি সনাতনী সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এখন সময় এসেছে সচেতন হওয়ার। ক্লাব বর্জন করে মন্দিরে বিয়ের আয়োজন করলে বৈদিক সংস্কারের পবিত্রতা রক্ষা পাবে এবং দেবতার আশীর্বাদে নতুন দাম্পত্য জীবন শুরু করা সম্ভব হবে।
শেষে তিনি সনাতনী সমাজকে ধর্মীয় সংস্কার ও ঐতিহ্য রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
মতামত