উৎসবের প্রথম দিন ১৮ এপ্রিল ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে প্রভাতী নগরকীর্তনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হবে। এরপর বাল্যভোগ ও মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। বিকাল ৪টায় শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ ও আবির্ভাব বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা ৭টায় মঙ্গল অধিবাস কীর্তন পরিবেশন করবেন শ্রীধাম ফরিদপুর শ্রীঅঙ্গনের ব্রহ্মচারী ও ভক্তবৃন্দ।
১৯ ও ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে পাঠ করবেন বাকচরের শ্রী দিলীপ কুমার সাহা এবং যশোরের গৌর হরি দাস (শুভংকর)।
২১ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ২৪ প্রহরব্যাপী মহানাম ও তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন অনুষ্ঠিত হবে। ২৪ এপ্রিল শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দের অষ্টকালীন লীলা স্মরণ কীর্তন আয়োজন করা হয়েছে।
২৫ এপ্রিল সকাল ৮টায় প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের অভিষেক, বন্ধুনবমী তিথি পূজা ও মহাভোগরাগ অনুষ্ঠিত হবে। একইদিন বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে লীলা সঙ্গীদের নিয়ে আলোচনা সভা এবং রাত ৮টায় আরতী কীর্তন অনুষ্ঠিত হবে।
২৬ এপ্রিল কুঞ্জভঙ্গ নগরকীর্তন, জলকেলী, মহোৎসব ও মোহন্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
উৎসবে যশোর, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, মাগুরা, ঢাকা, বগুড়া ও টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলার ভক্তরা অংশ নেবেন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীরা নামসুধা ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, উৎসব চলাকালীন সার্বক্ষণিক প্রসাদের ব্যবস্থা থাকবে এবং সকল ভক্তবৃন্দকে উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানানো হয়েছে।
মতামত