বিকেলের পর্বে গঙ্গা আহবান ও সত্যনারায়ণ পূজার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় শিক্ষা ও সংস্কৃতিমুখী অনুষ্ঠান। বার্ষিক গীতা পরীক্ষায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সন্ধ্যায় টেলিভিশন শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভক্ত-দর্শকদের মুগ্ধ করে।
উৎসবের দ্বিতীয় দিন অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে দিনভর ভক্তি, আরাধনা ও সেবামূলক আয়োজনের মাধ্যমে পরিসমাপ্তি ঘটে। দুপুর ও রাতে প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি হয়।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে এবারের উৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মতে, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অগণিত ভক্তের অংশগ্রহণ এই উৎসবকে রূপ দিয়েছে মিলনমেলায়, যা ভক্তদের মাঝে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
নন্দীর হাটে আয়োজিত এ উৎসব শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং সম্প্রীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার এক উজ্জ্বল সমন্বয় হয়ে উঠেছিল।


মতামত