একটি জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা করেন, যে ব্যক্তি সায়নী ঘোষের কাটা মাথা এনে দিতে পারবে, তাকে এক কোটি টাকা পুরস্কৃত করা হবে। ২০১৫ সালের একটি পুরোনো এবং বিতর্কিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টকে কেন্দ্র করে এই চরমপন্থী ও হিংসাত্মক ফতোয়া জারি করা হয়েছে। উক্ত পোস্টে সনাতন ধর্মের পবিত্র প্রতীক শ্রী শিবলিঙ্গকে অবমাননা করার অভিযোগ উঠেছিল। যদিও সায়নী ঘোষ পরবর্তীতে স্পষ্ট করেছিলেন যে, তাঁর অ্যাকাউন্টটি হ্যাকড হয়েছিল এবং তিনি সনাতন ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
এই ঘটনার পর সায়নী ঘোষ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং লোকসভার স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে "নিউ ইন্ডিয়া"র নারী সুরক্ষার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও অভিযুক্ত বিজেপি নেতা দাবি করেছেন যে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা বিকৃত করা হয়েছে এবং জেলা বিজেপি এই মন্তব্য থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে, তবুও রাজনীতিতে এমন কুরুচিপূর্ণ ও হিংসাত্মক ভাষা সমস্ত নাগরিকের মানবাধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে। সব ধর্মের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও নারী শক্তির মর্যাদা রক্ষায় এই ধরণের উগ্রতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
মতামত