মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা বলেন, পূজা উদযাপন পরিষদ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমমর্যাদা ও সম-অধিকার নিশ্চিত করতে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন না থাকায় এখনো অনেক মানুষ ভয়ের মধ্যে জীবনযাপন করছেন।
তিনি সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, জনসংখ্যার অনুপাতে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং দেবোত্তর সম্পত্তি আইন প্রণয়নসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
সম্মেলনে পূজা উদযাপন পরিষদ দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সভাপতি দিপংকর দাস সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদস্য-সচিব নিখিল মালাকার। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মলয় পুরকায়স্থ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশ, জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শৈলেন কুমার কর এবং মহানগরের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক নন্দন চন্দ্র পাল।
সম্মেলনে সিলেটের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতাকর্মী ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র গীতা পাঠ করেন রিয়া রায় মিতু।
পরে কাউন্সিলের মাধ্যমে দিপংকর দাসকে সভাপতি ও নিখিল মালাকারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট দক্ষিণ সুরমা থানা কমিটি গঠন করা হয়।
মতামত