(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ও সামগ্রীর হিসাব না মেলার বিষয়ে উত্তর প্রদেশ সরকারের গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গত ২৩ জুন একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। নিরীক্ষকদের মতে, ট্রাস্টের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক মানবসম্পদ বিভাগ নেই এবং বাইরের আইটি কোম্পানির মাধ্যমে ডেটা এন্ট্রি করানো হলেও তথ্য সুরক্ষায় নিজস্ব কোনো অডিট ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এই অগোছালো ব্যবস্থাপনার কারণে কোটি কোটি ভক্তের কষ্টার্জিত দান আজ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সনাতনীদের ধর্মীয় অনুভূতি, মানবাধিকার এবং দানের পবিত্রতা রক্ষা করার স্বার্থে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ বিভিন্ন মহল থেকে এই দুর্নীতির তীব্র প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। সারা বিশ্বের সনাতনী সমাজ এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে যে, এই ভয়াবহ অনিয়মের বিরুদ্ধে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ এবং সরকার শেষ পর্যন্ত কী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
অযোধ্যা ট্রাস্টে বড় কেলেঙ্কারি: রামমন্দিরের ৩,৫০০ কোটি রুপি গায়েব
ভারতের অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের আর্থিক অডিট বা নিরীক্ষায় ভয়াবহ অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার তথ্য সামনে আসার পর বিশ্বজুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ২০২০ সালে ট্রাস্ট গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত ভক্তদের দেওয়া শুধু নগদ অর্থেই প্রায় ৩,৫০০ কোটি রুপির কোনো সঠিক হদিস মিলছে না বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। নগদ টাকার পাশাপাশি সোনা-দানার মতো অমূল্য অলঙ্কারের হিসাবের ক্ষেত্রেও চরম উদাসীনতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মূলত ট্রাস্টের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণহীনতা, অপেশাদারিত্ব এবং স্বচ্ছতার অভাবই এই সংকটের মূল কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। অথচ ট্রাস্ট গঠনের মাত্র কয়েক মাসের মাথায়, অর্থাৎ ২০২০ সালের নভেম্বরেই একটি পেশাদার নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান সতর্কবার্তা দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, প্রতিটি স্তরে সুনির্দিষ্ট কাজের নিয়ম বা এসওপি (SOP) তৈরি করা জরুরি। কিন্তু দীর্ঘ ছয় বছর পার হয়ে গেলেও সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়নি, যার ফলে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সনাতনীদের আবেগ ও অধিকার আজ প্রশ্নবিদ্ধ।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত