প্রচলিত জনশ্রুতি অনুযায়ী, শ্রী শ্রী ঠাকুর খড়ম পায়ে এই তেতুল বৃক্ষের কাছেই অন্তর্ধান বা বিলীন হন। সেই স্মৃতিকে ধারণ করে প্রায় ৫০০ বছরের প্রাচীন এই বৃক্ষটি আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, বহন করে চলেছে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার অমূল্য সাক্ষ্য।
প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও দর্শনার্থী এই পবিত্র স্থানে এসে বৃক্ষটি দর্শন করেন এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাঁদের বিশ্বাস, এই স্থান শুধু একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনই নয়, বরং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক অনন্য আধ্যাত্মিক স্মৃতিবিজড়িত তীর্থস্থান।
স্থানীয়দের মতে, যথাযথ সংরক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে এই প্রাচীন ঐতিহ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আরও সমৃদ্ধভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
মতামত