গ্লাসগো ২০২৬ কমনওয়েলথ গেমসে বক্সিং রিংয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েছে ভারত। ১০টি ফাইনালের মধ্যে সাতটিতেই স্বর্ণপদক জিতে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে ভারতীয় বক্সাররা। একদিনে সাতটি স্বর্ণ জয়ের এই কীর্তি শুধু পদক তালিকায় ভারতের অবস্থানই শক্তিশালী করেনি, বরং আন্তর্জাতিক বক্সিংয়েও দেশটির উত্থানের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে।
ফাইনালের সবচেয়ে নাটকীয় লড়াইটি ছিল পুরুষদের একটি ওজন শ্রেণিতে। ভারতের শচীন শচীন শেষ রাউন্ড পর্যন্ত নামিবিয়ার ট্রাইএগেইন মর্নিং এনদেভেলোর কাছে পিছিয়ে ছিলেন। তবে ম্যাচের একেবারে শেষ ঘুষিতে প্রতিপক্ষকে নকডাউন করে অবিশ্বাস্যভাবে জয় ছিনিয়ে নেন তিনি।
ভারতের এই সাফল্যের দিনে নারীদের ৫৭ কেজি বিভাগে আরেকটি ইতিহাস গড়েন নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের মাইকেলা ওয়ালশ। ফাইনালে হেরে রৌপ্য জিতলেও তিনি কমনওয়েলথ গেমসের ইতিহাসে প্রথম বক্সার হিসেবে চারটি পদক জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন।
পদক জয়ের পর ওয়ালশ বলেন, "এটি আমার জন্য বিশাল অর্জন। এখনও পুরো বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারিনি। নিজের পারফরম্যান্সে আমি গর্বিত।"
গ্লাসগো ২০২৬-এ ভারতের বক্সারদের ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করেছে, দেশটির বক্সিং এখন আর কেবল সম্ভাবনার জায়গায় নেই। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তারা এখন অন্যতম শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। সাতটি স্বর্ণ জয়ের এই পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের অলিম্পিক ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আগেও ভারতীয় বক্সিংয়ের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে।
মতামত