অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পদত্যাগের আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে সাক্ষাৎ করে তরুণ প্রজন্মের এই আকাঙ্ক্ষা ও অসন্তোষকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। তরুণ সমাজের সৎ অনুভূতিগুলোকে যেন কায়েমী রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করা হয়, সে লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভারত জুড়ে সনাতনী যুবসমাজসহ যে নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠছে, তাদের ভবিষ্যৎ তুলে ধরে তিনি বলেন, ভারতে প্রতি বছর প্রায় দুই কোটি শিশুর জন্ম হয়। বর্তমানে যাদের বয়স ১৫ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে, আগামী এক দশকের মধ্যে সেই তরুণদের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ২০ কোটিতে। এই বিশাল জেন-জি প্রজন্মের সৎ শক্তি ও যোগ্যতার ওপর ভর করেই ভারত বিশ্বে একটি অপরাজেয় ও শক্তিশালী পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
‘আমি জেন-জির রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার’: পদত্যাগের ১৪ দিন পর বিস্ফোরক ধর্মেন্দ্র প্রধান
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নিজের পদত্যাগের দুই সপ্তাহ পর নীরবতা ভাঙলেন ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ও সম্বলপুরের বিজেপি এমপি ধর্মেন্দ্র প্রধান। সম্বলপুরে এক অনুষ্ঠানে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময়ে ভারতীয় তরুণদের অর্থাৎ 'জেন-জি' বা নতুন প্রজন্মকে ভুল পথে চালিত করা হয়েছিল। তিনি স্বীকার করেন যে, তরুণদের উদ্বেগ ও অভিযোগ বাস্তব হলেও সেটিকে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার বানিয়েছে একটি বিশেষ মহল। নিজের ব্যক্তিগত সম্মান বা পদের মায়া ত্যাগ করে তিনি এই উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন উল্লেখ করে নিজেকে ‘জেন-জির শিকার’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে দেশের এবং সনাতনী তরুণ সমাজের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তিনি বিষয়টিকে কখনও ব্যক্তিগত লড়াইয়ে পরিণত করেননি। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত