শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
হিন্দুস নিউজ
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

​ঐতিহাসিক আদিনাথ মন্দিরে বহিরাগতদের আধিপত্য: কোটি টাকার প্রণামী লোপাটের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ সনাতনী সমাজ


| প্রিন্ট সংস্করণ

​ঐতিহাসিক আদিনাথ মন্দিরে বহিরাগতদের আধিপত্য: কোটি টাকার প্রণামী লোপাটের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ সনাতনী সমাজ
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।
কক্সবাজারের ঐতিহাসিক ও কলিযুগের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান মহেশখালীর শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দির কেন্দ্রিক চরম অব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সনাতনীদের অবহেলা এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় জজের সুপ্রিম পাওয়ারে গঠিত সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত এই মন্দিরের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বর্তমানে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। ঐতিহাসিকভাবে সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ, ফটিকছড়ির কাঞ্চননাথ এবং মহেশখালীর আদিনাথ—এই তিনটি তীর্থক্ষেত্র পরিচালনা ও সংরক্ষণের জন্য বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট পিযুষ উকিলের দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর স্থানীয়দের সম্পৃক্ততায় সংস্কার কমিটি গঠিত হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমান সময়ে স্থানীয় সচেতন সনাতনী সম্প্রদায় তাদের অধিকার ও অংশগ্রহণ থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত হচ্ছে।


​বর্তমানে ‘শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দির সংস্কার কমিটি’ অকার্যকর রেখে ‘মহেশখালী ইউনিট’ নাম দিয়ে বহিরাগত কিছু ব্যক্তির হাতে পরিচালনার ভার তুলে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পরিচালনা পর্ষদের শীর্ষ কর্তা বাবু কাজল পাল, এডভোকেট তাপস রক্ষিত ও মাস্টার পথিক দেসহ মূল পরিচালকদের কেউই মহেশখালীতে অবস্থান করেন না। তাঁরা প্রত্যেকে কক্সবাজার সদরে থেকে সুদূরপ্রসারী অনিয়মের মাধ্যম হিসেবে মন্দিরটিকে ব্যবহার করছেন। এমনকি সার্বক্ষণিক দেখাশোনার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিস সহকারীকেও বহিরাগত এলাকা থেকে এনে পরিচালনা করা হচ্ছে, যা স্থানীয় অধিবাসীদের প্রতি চরম বৈষম্যের শামিল। ​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')

​মহেশখালী ও কক্সবাজারের সচেতন সনাতনীদের মূল ক্ষোভের কারণ আদিনাথ মন্দিরের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও অর্ঘ্যের হিসাব-নিকাশ নিয়ে। প্রতি মাসের শুরুতে কক্সবাজার থেকে এসে দর্শনার্থীদের প্রণামী ও দানের অর্থ নিয়ে যাওয়া হলেও অবকাঠামোগত কোনো টেকসই উন্নয়ন করা হচ্ছে না। বিগত কয়েক বছরে পাহাড়ি মাটি ধসে মন্দিরের প্রধান সিঁড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ মেলা বা পূজার সময় সাধারণ ভক্তদের অনুদানে নির্মিত দোতলা ভবন বা টাইলসের কাজ সম্পন্ন হয়। সাধারণ সনাতনীদের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ব্যক্তিগত পকেট ও ব্যাংক ব্যালেন্স ভারী করতেই ব্যস্ত রয়েছে। মন্দির কেন্দ্রিক এই একচ্ছত্র আধিপত্য এবং হিন্দু ধর্মের পবিত্র তীর্থস্থানকে বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহারের প্রতিবাদে এখন একাট্টা হচ্ছেন কক্সবাজারের সনাতনী সমাজ।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

হিন্দুস নিউজ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


​ঐতিহাসিক আদিনাথ মন্দিরে বহিরাগতদের আধিপত্য: কোটি টাকার প্রণামী লোপাটের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ সনাতনী সমাজ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কক্সবাজারের ঐতিহাসিক ও কলিযুগের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান মহেশখালীর শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দির কেন্দ্রিক চরম অব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সনাতনীদের অবহেলা এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় জজের সুপ্রিম পাওয়ারে গঠিত সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত এই মন্দিরের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বর্তমানে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। ঐতিহাসিকভাবে সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ, ফটিকছড়ির কাঞ্চননাথ এবং মহেশখালীর আদিনাথ—এই তিনটি তীর্থক্ষেত্র পরিচালনা ও সংরক্ষণের জন্য বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট পিযুষ উকিলের দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর স্থানীয়দের সম্পৃক্ততায় সংস্কার কমিটি গঠিত হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমান সময়ে স্থানীয় সচেতন সনাতনী সম্প্রদায় তাদের অধিকার ও অংশগ্রহণ থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত হচ্ছে।


​বর্তমানে ‘শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দির সংস্কার কমিটি’ অকার্যকর রেখে ‘মহেশখালী ইউনিট’ নাম দিয়ে বহিরাগত কিছু ব্যক্তির হাতে পরিচালনার ভার তুলে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পরিচালনা পর্ষদের শীর্ষ কর্তা বাবু কাজল পাল, এডভোকেট তাপস রক্ষিত ও মাস্টার পথিক দেসহ মূল পরিচালকদের কেউই মহেশখালীতে অবস্থান করেন না। তাঁরা প্রত্যেকে কক্সবাজার সদরে থেকে সুদূরপ্রসারী অনিয়মের মাধ্যম হিসেবে মন্দিরটিকে ব্যবহার করছেন। এমনকি সার্বক্ষণিক দেখাশোনার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিস সহকারীকেও বহিরাগত এলাকা থেকে এনে পরিচালনা করা হচ্ছে, যা স্থানীয় অধিবাসীদের প্রতি চরম বৈষম্যের শামিল। ​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')

​মহেশখালী ও কক্সবাজারের সচেতন সনাতনীদের মূল ক্ষোভের কারণ আদিনাথ মন্দিরের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও অর্ঘ্যের হিসাব-নিকাশ নিয়ে। প্রতি মাসের শুরুতে কক্সবাজার থেকে এসে দর্শনার্থীদের প্রণামী ও দানের অর্থ নিয়ে যাওয়া হলেও অবকাঠামোগত কোনো টেকসই উন্নয়ন করা হচ্ছে না। বিগত কয়েক বছরে পাহাড়ি মাটি ধসে মন্দিরের প্রধান সিঁড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ মেলা বা পূজার সময় সাধারণ ভক্তদের অনুদানে নির্মিত দোতলা ভবন বা টাইলসের কাজ সম্পন্ন হয়। সাধারণ সনাতনীদের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ব্যক্তিগত পকেট ও ব্যাংক ব্যালেন্স ভারী করতেই ব্যস্ত রয়েছে। মন্দির কেন্দ্রিক এই একচ্ছত্র আধিপত্য এবং হিন্দু ধর্মের পবিত্র তীর্থস্থানকে বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহারের প্রতিবাদে এখন একাট্টা হচ্ছেন কক্সবাজারের সনাতনী সমাজ।


হিন্দুস নিউজ

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে
HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news
​ঐতিহাসিক আদিনাথ মন্দিরে বহিরাগতদের আধিপত্য: কোটি টাকার প্রণামী লোপাটের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ সনাতনী সমাজ
0:00 0:00
1.0x